ঢাকা: একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এবং তাদের এদেশীয় সহযোগী রাজাকার-আল বদরদের নগ্ন থাবায় অসহায় বাঙালি নারীর ইজ্জত লুন্ঠন হয়েছিল।
সেই রাজাকারের শাবকরা আজ সংসদে বসে আছে। শহিদদের ফুল দিচ্ছে।
আমাদের স্বাধীনতা অর্জনের নেপথ্যে থাকা অগণিত নারীর নীরব কান্নার সেই ইতিহাস রাজাকারের ঔরসজাত সন্তানরা অস্বীকার করে।
বরং বলা ভালো গৌরবের সাথে অস্বীকার করে।
এবার রাজাকার ও পাকিস্তানের সেনা কর্মকর্তাদের প্রতি ঘৃণা জানাতে ‘ছবিতে জুতা নিক্ষেপ’ কর্মসূচি পালন করেছেন শিক্ষার্থীরা।
পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর প্রতি ক্ষোভের বিষয়ে একজন বলেন, “ইয়াহিয়া থেকে মুনির (বর্তমান সেনাপ্রধান), মাঝে যত সেনাপ্রধান এসেছেন, প্রত্যেকে একই কাজ করেছেন। তারা একাত্তরের ঘাতক সামরিক কর্মকর্তাদের আড়াল করেছেন, বিচার ঠেকিয়েছেন, দায়মুক্তি নিশ্চিত করেছেন। এটা ব্যক্তিগত নৈতিক স্খলন নয়, এটা পাকিস্তানি সামরিক প্রতিষ্ঠানের রাষ্ট্রীয় নীতি।”
স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার বিকালে জাতীয় স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণের বাইরে জুতা নিক্ষেপ কর্মসূচি আয়োজন করা হয়।
সেখানে সড়কের পাশে একটি বাসের সঙ্গে ব্যানার টানানো ছিল, যেখানে একাত্তরের গণহত্যায় জড়িতদের ছবি ছিল।পাকিস্তানের সেনাপ্রধানের ছবিও ছিল।
সেখানে শুধু শিক্ষার্থীরা নন, রিকশাচালক, পথচারীসহ অনেকেই ছবিতে জুতা নিক্ষেপ করেছেন। ছুঁড়ে দিয়েছেন একরাশ ঘৃণা।
অথচ এই বাংলার মাটিতে আজ পাকিস্তান দিবস করা হচ্ছে প্রকাশ্যে। জামাত গলা চড়িয়ে বলছে সংবিধান বদলাতে চায়!! বাঙালিকে ৭১ এর চেতনায় জেগে উঠতে হবে আবারো। শেখ হাসিনা সেই আহ্বান জানিয়েছেন দেশবাসীকে।
