ঢাকা: সংবিধান সংস্কার পরিষদ আবার কি? ১৯৭২ এর সংবিধান ধ্বংস করতে চায় যারা তারাই ৭১ এর পরাজিত শক্তি। এই জামাত রাজাকারের দল সংবিধান সংস্কার নিয়ে ক্ষেপে উঠেছে।

হুমকি দেয় আন্দোলনের। এখন আবার ভীষণ উদ্বিগ্ন জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান।

সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান না হওয়া নিয়ে জাতীয় সংসদে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান।

এই বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, যে জুলাই জাতীয় সনদের বাস্তবায়ন আদেশের ভিত্তিতে এই পরিষদের কথা বলা হচ্ছে, সেটি মূলত আরোপিত ও জবরদস্তিমূলক।

রোববার (১৫ মার্চ) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের দ্বিতীয় কার্যদিবসে অনির্ধারিত আলোচনার জন্য দাঁড়িয়ে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থাপনের প্রেক্ষাপটে গঠিত বর্তমান সংসদ স্বাভাবিক নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় আসেনি; রাষ্ট্রপতির এক আদেশের মাধ্যমে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

তিনি উল্লেখ করেন, ওই আদেশ অনুযায়ী গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বিজয়ী হলে ফল প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সভা আহ্বান করার কথা। কিন্তু নির্ধারিত সময় শেষ হয়ে গেলেও এখনো সেই অধিবেশন ডাকা হয়নি। এটিকে উদ্বেগজনক বলে মন্তব্য করেন।

তার এমন ভাব, এখনই সব করে ফেলতে হবে। সংবিধান বিরোধীরা পাগলা কুকুরের মতো ক্ষেপেছে।

শফিকুর রহমান আরও বলেন, যেভাবে সংসদের অধিবেশন আহ্বান করা হয়, একই পদ্ধতিতে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশনও আহ্বান করার কথা।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘কিন্তু এই যে আদেশ (জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ), এই আদেশটা না অধ্যাদেশ, না আইন। মাঝামাঝি জিনিস। সেদিন আমি বলেছিলাম, এটা হয়তো নিউট্রাল জেন্ডার হতে পারে।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, গণভোট অধ্যাদেশ এবং সংশ্লিষ্ট আদেশের কিছু অংশ কেন অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না—এ বিষয়ে আদালত রুল জারি করেছেন। বিচার বিভাগ মতামত দিতে পারে, তবে সংসদও সার্বভৌম প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিষয়টি বিবেচনা করবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সংসদের অধিবেশন না থাকা অবস্থায় রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন। কিন্তু সংবিধানের ধারা পরিবর্তন হবে বা সংবিধান পরিবর্তন হবে, এ রকম কোনো বিষয় অধ্যাদেশের মাধ্যমে আসতে পারে না, সেটা জায়েজ নয়।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *