ঢাকা: রাজাকার, পাকি জারজেরা (দুঃখিত এইরকম একটি শব্দ ব্যবহার না করলে তাদের আসল পরিচয় দেয়া হয় না) কী বলছে জানেন?

তারা বলছে, ‘৭০% হ্যাঁ গণভোট জয়যুক্ত হয়েছে। এতেই প্রমাণ করে ৭২ এর সংবিধান জনগণ বাতিল চায়, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন চায়’।

কে বলেছে ভাই? হ্যাঁ ভোট কয়জন দিয়েছে হারিকেন দিয়ে খুঁজতে হবে। ষড়যন্ত্র করে হ্যাঁ ভোট-কে জয়ী করানো হয়েছে। এখন তাদের কথা শুনলে শরীরে হাড্ডি, মাংস সব খসে পড়ে।

জুলাইয়ের বিশ্বাসঘাতক প্রতারক গাদ্দার নিপাত যাক,বাংলাদেশের জনগণ মুক্তি পাক!

বাংলাদেশের আসল শত্রুদের চিনে রাখুন। এই বিএনপি সরকার কী খেলছে সেটাও স্পষ্ট। তাদের জামাতের কথায় ওঠবস না করে উপায় নেই। ফলে এই অথর্ব সরকারের কাছে উপযুক্ত কিছু আশা করাও বৃথা হয়ে গেছে।

যেসব কুলাঙ্গার রাজাকার আলশামস মোনাফেক ৭২ এর সংবিধানে আগুন জ্বালিয়েছে তারা নিঃসন্দেহে দেশের শত্রু।

যারা ৭২ এর সংবিধানে আগুন দিতে পারে, তারা পুরো দেশটাকেই পুড়িয়ে ছাই করে দিতে পারবে। এবং করেছেও।

এতোক্ষণে এদের বিরুদ্ধে চিরুনি অভিযান চালানো উচিৎ ছিলো। করেছে? বিএনপি সরকার কে ভুতে ধরেছে। মববাজরা আর কতটা উগ্রতা দেখালে সরকারের ভুত ছাড়বে সেটা তারা ভালো বলতে পারবে।

তাছাড়া জুলাই জঙ্গীদের তো দায়মুক্তি দিয়ে দেওয়া হয়েছেই সকল অপরাধ থেকে তাই তারা যা ইচ্ছে তাই করবে এটাই স্বাভাবিক।

একটা দেশের মূল ভিত্তি সংবিধান।এটা সংবিধানে আগুন নয় মূলত বাংলাদেশের হৃদপৃন্ডে আগুন দেয়া হয়েছে।

স্বাধীন দেশের সংবিধানে আগুন জ্বলছে—আর প্রশাসন নীরব! এ কেমন রাষ্ট্র ?

যে সংবিধানের ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের জন্ম, সেই ১৯৭২ সালের সংবিধান জনসম্মুখে কিছু মেধাবী নামধারী, উগ্রবাদী ,দেশবিরোধী, জঙ্গি জামাত রাজাকারের নাতিপুতিরা প্রকাশ্যে জনসম্মুখে বাংলাদেশের সংবিধান পুড়িয়ে ফেলার সাহস পায় কিভাবে?

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *