ঢাকা: নীলা ইসরাফিল এখন সহজেই বলে ফেললেন হাসিনাই সঠিক ছিলো এরা সবাই রাজাকার, রাজাকারের বাচ্চা এবং রাজাকার এর নাতিপুতি কিন্তু এই তাঁদের ভুলেই যে দেড় বছরে প্রাণ গেছে হাজার নেতাকর্মীর, দেশটা যে উচ্ছন্নে গেছে, হাজার হাজার শিক্ষার্থী যে বিপথে গেলো, জঙ্গী হলো, দেশ হারিয়েছে তার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, উন্নয়নে স্থবির সেই দায়গুলো কি এঁরা এড়াতে পারবেন?

বর্তমান সেই নাতিপুতিদের হাতেই ক্ষমতা এর দ্বায়ভার সুশীলতার নামে যারা জুলাইতে রাস্তায় নেমেছিলেন তার দায় সবার।

নীলা ইসরাফিল জুলাই আন্দোলনের অনেক রেখাচিত্র কৌশলে ফাঁস করছেন। তাজনূভা বলছেন জুলাইকে কৌশলে জামাতের হাতে তুলে দেয়া হচ্ছে।

আরে তুলে দেবে কি? জুলাই বা ২৪ তো জামাতেরই–যেটাকে ওরা নতুন স্বাধীনতার নাম দিয়ে ৭১ কে ভুলুণ্ঠিত করছে।

এই জুলাই চেতনার সনদ দিয়ে ওরা দেশকে জঙ্গিস্থান বানানোর স্বপ্ন দেখছে। এখানে আলবদর ও লালবদররা দেশকে ডাস্টবিনে ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছে।

নীলা ইসরাফিল এখন ভয়াবহ স্বীকারোক্তি দিচ্ছেন, কীভাবে একটি শান্ত, সাজানো-গোছানো দেশকে ধীরে ধীরে অগ্নিগর্ভ করে তোলা হয়েছিল।

কীভাবে আড়াল থেকে চালানো হয়েছিল ধ্বংসের রাজনীতি, আর জনগণের ভবিষ্যৎকে ঠেলে দেওয়া হয়েছিল অনিশ্চয়তার অন্ধকারে। এটা শুধু একটি বক্তব্য নয়, এটা ইতিহাসের সামনে দাঁড়িয়ে বলা এক নগ্ন সত্য।

আজ আবার বললেন সজীব ওয়াজেদ জয়ের কথা।

বললেন, “আজকের দিনে আমরা দেশের যে রাজনৈতিক পরিস্থিতি দেখছি, তা সজীব ওয়াজেদ জয়ের আগস্ট মাসের মন্তব্যের সঙ্গে হতাশাজনকভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

১১ আগস্ট ২০২৪ তিনি “মবক্রেসি” বা mobocracy শব্দটি ব্যবহার করে সতর্ক করেছিলেন, যখন সংবিধান বা due process বাদ দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদে বিচারপতি নিয়োগ করা হয়।
রাজনীতি এখন আর আদর্শ, নৈতিকতা বা আইন নিয়ে নয়।

এটা হয়ে গেছে behavioral experiment যেখানে মানুষকে পরিস্থিতির মাধ্যমে দেখানো হচ্ছে কতটা তারা power, fear ও social pressure-এর অধীনে স্থির থাকতে পারে।

যে সিদ্ধান্তগুলো রাষ্ট্রের Institutional integrity রক্ষার জন্য হওয়া উচিত ছিল, আজ তা হচ্ছে public spectacle, জনমতের চাপের ভিত্তিতে।

এখানে একদিকে crowd psychology, অন্যদিকে elite manipulation কাজ করছে আর আমরা সবাই observer এবং participant একসঙ্গে, অথচ কেউই system-কে প্রশ্ন করতে সাহস পাচ্ছে না।

মবক্রেসি কোনো সংস্কার নয়।
এটা dynamic collapse of rule of law এক ধরনের social entropy, যেখানে law, ethics, এবং accountability ক্রমে বিভ্রান্ত ও সংক্ষিপ্ত হয়ে যাচ্ছে।

রাষ্ট্র এখন citizen-এর উপর power exercise করছে, citizen-ও তা বুঝে চেষ্টা করছে compliance-এ থাকুক বা silent witness হয়ে থাকুক।

এই অবস্থায় আমরা সবাই এক ধরনের psychological stress এর মধ্যে আছি। যেখানে রাষ্ট্রের অনিশ্চয়তা, political unpredictability এবং individual agency-এর সীমা আমাদের decision making, moral judgment এবং collective trust কে পরীক্ষা করছে।

সুতরাং আজকের ঘটনা শুধু রাজনৈতিক নয় এটা আমাদের societal cognition, collective behavior এবং future stability এর ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে। যে দেশ তার ন্যায়বিচার ও institutional integrity হারায়, সেই দেশের স্বাধীনতা ও ভবিষ্যতও ঝুঁকির মধ্যে থাকে”!

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *