ঢাকা: মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানী বাহিনীর পক্ষে কাজ করা জামায়াতের লেবাসধারী চরিত্র বাঙালি ভুলে যায়নি।
স্বাধীনতার ৫৪ বছরেও শয়তান জামায়াত শিবিরের চরিত্র একটুও পাল্টায়নি।
লেবাস ধরা ভণ্ড এইগুলো এখন তেড়েফুঁড়ে উঠেছে। ক্ষমতায় যদি যায় এদের দাঁত নখ একাত্তরে কী। দেখা গিয়েছে, তার চেয়েও ভয়ঙ্কর হবে!
১৯৭১ সালে বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি সেনার অন্যতম সহযোগী হিসেবে কাজ করেছিল জামাত-ই-ইসলামি। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন গণহত্যায় নাম জড়ায় তাদের।
পরবর্তী সময়েও একাধিকবার নাশকতামূলক কাজে নাম জড়িয়েছে দলটির। শেখ হাসিনার আমলে গুটিয়ে থাকলেও, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের অন্যতম নিয়ন্ত্রকের ভূমিকা নিয়েছে জামাত।
জান্নাতের টিকিট বিক্রি করে এরা। জনগণের আবেগ নিয়ে খেলা করছে। দাঁড়িপাল্লার পক্ষে না থাকলে নাকা কোরানের মাহফিল শুনতে পারবেন না তিনি। অর্থাৎ নেতা ধর্ম বিক্রি করছেন, লাভ ছাড়া বিক্রি করবেন না।
সিরাজগঞ্জ-৬ (শাহজাদপুর) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ও উপজেলা জামায়াতের আমির মো. মিজানুর রহমান বলেছেন, যারা দাঁড়িপাল্লার পক্ষে থাকবে না তাদের কোরআনের মাহফিল শোনার কোনো দরকার নেই।
সম্প্রতি উপজেলার কায়েমপুর ইউনিয়নের স্বরুপপুর, কাশিনাথপুর আব্দুল মজিদ হাফিজিয়া ও দাখিল মাদরাসার উন্নয়নকল্পে আয়োজিত মসজিদের ইসলামী জালসায় বক্তব্য দেয়ার সময় তিনি এই কথা বলেন।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) তার এমন একটি বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়।
ভাইরাল ওই ভিডিওতে জামায়াত নেতা মিজানুর রহমানকে বলতে শোনা যায়, ‘যারা দাঁড়িপাল্লার পক্ষে থাকবে না তাদের কোরআনের মাহফিল শোনার কোনো দরকার নাই। আমি অনুরোধ করতে চাই, যারা হাত তোলেন নাই, আমি বলব আজকে যদি কোরআনের মাহফিল শোনেন, কোরআনের কথা হবে। কোরআন আর আল্লাহর আইনকে প্রতিষ্ঠার জন্য সবাই দাঁড়িপাল্লার পক্ষে থাকবেন।’
তার এই বক্তব্য নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে।
তবে জামায়াত নেতা মিজানুর রহমান বলেন, ‘আমি মাস দুয়েক আগে ওই জালসায় বক্তব্য দিয়েছি। তবে ভিডিওতে যেভাবে এসেছে আমি সেভাবে বলি নাই। আমি বলেছি সবাইকে কোরআনের পথে আসা বাঞ্ছনীয়।’
