ঢাকা: বাংলাদেশের একজন সাহাবুদ্দিন চুপ্পু। খুব সাহসী ব্যক্তিত্ব, একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। দেশ এবং বিএনপিকে এই সংবিধান উপহার দিয়ে গেছেন।
যে সংবিধান ৩০ লাখ শহীদ এবং ৩ লাখ মা বোন এর ইজ্জতের বিনিময়ে বিনির্মাণ হয়েছিল। দেশ বিরোধীরা অনেক ষড়যন্ত্র করেছে কিন্তু শেষ মেষ কাজ হয়নি। এখন তা রক্ষা করার দায়িত্ব বিএনপির।
মহামান্য রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন (চুপ্পু) একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা, তিনি পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ এর আহ্বায়ক ছিলেন।
১৯৭১ সালের ৯ এপ্রিল তিনি ভারতে যান এবং প্রশিক্ষণ নিয়ে পাবনা জেলার বিভিন্ন অঞ্চলে পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সক্রিয়ভাবে যুদ্ধ করেন।
তিনি জেলা ও দায়রা জজ এবং দুদকের কমিশনার ছিলেন, সাংবাদিকতায় অবদানের জন্য পাবনা জেলা প্রেস ক্লাবের আজীবন সদস্য মনোনীত হয়েছেন।
তিনি একাই বড় দায়িত্ব নিয়ে গ্রামীণ ব্যাংক দুর্নীতি ও পদ্মা সেতুর বিষয়ে আগেও ইউনুস ও আমেরিকার আন্তর্জাতিক চক্রান্তকে প্রতিহত করেছেন।
বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি এখনো দাঁড়িয়ে আছেন মেরুদণ্ড শক্ত করে।
সংবিধান রক্ষায় অবিচল তিনি। এবার ড. ইউনূসের চরম স্বেচ্ছাচারিতা ও অসাংবিধানিক ষড়যন্ত্র ফাঁস করলেন। যা অত্যন্ত বেদনাদায়ক।
টানা দেড় বছরের শ্বাসরুদ্ধকর বন্দিদশায় কেটেছে তাঁর সময়।
অবশেষে দেশবাসীর সামনে চরম সত্য তুলে ধরেছেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
দেশের এক সংবাদ মাধ্যমকে দিয়েছেন রোমহর্ষক সাক্ষাৎকার।
সাক্ষাৎকার পরিষ্কার হয়ে গেছে আরো যে দেশের রাষ্ট্রপতির যা দায়িত্ব সেটাই পালন করতে দেয়া হয়নি তাকে।
রাষ্ট্রপতির উদ্যোগে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়েছিল, সেই রাষ্ট্রপতির সঙ্গেই ড. ইউনূস চরম অসাংবিধানিক ও অকৃতজ্ঞ আচরণ করেছেন।
সংবিধানে বলা আছে, সরকারপ্রধান বিদেশ সফর শেষে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করবেন। কিন্তু ড. ইউনূস গত দেড় বছরে ১৪-১৫ বার বিদেশ গেলেও একবারের জন্যও বঙ্গভবনে গিয়ে রাষ্ট্রপতিকে কিছু জানানোর সৌজন্যটুকু দেখাননি।
এতটাই স্বৈরাচারী তিনি ছিলেন। তাঁকে সামনেই আসতে দেয়া হয়নি।
শুধু তাই নয়, যুক্তরাষ্ট্রের মতো গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তির বিষয়েও রাষ্ট্রপ্রধানকে অন্ধকারে রাখা হয়েছে।
ড. ইউনূসের সরকারের একজন উপদেষ্টা বেআইনিভাবে একজন সাবেক প্রধান বিচারপতিকে রাষ্ট্রপতির চেয়ারে বসানোর প্রস্তাব নিয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু সেই বিচারপতির সততা ও সাংবিধানিক বিধিনিষেধের কারণে সরকারের সেই অসাংবিধানিক উদ্যোগ ব্যর্থ হয়।
আরো জানলে অবাক হবেন, গত ২২ অক্টোবর বঙ্গভবন ঘেরাওয়ের নামে অরাজকতা সৃষ্টি করা হয়েছিল।
বিভিন্ন ব্যানারে ভাড়াটে ও ছিন্নমূল লোকজন এনে বঙ্গভবনে গণভবনের মতো লুটপাটের ছক কষা হয়েছিল। সাউন্ড গ্রেনেড পড়ার পর কাঁটাতারের ওপর পড়ে গিয়ে ছবি তুলে ব্ল্যাকমেইল করার নাটক সাজিয়েছিল সন্ত্রাসীরা।
তারপরেও নোবেলজয়ী ড. ইউনূস রাষ্ট্রপতির নিরাপত্তা দেওয়ার কোনো প্রয়োজন মনে করেননি।
আপনাদের মনে আছে সারাবিশ্বের বাংলাদেশ মিশনগুলো থেকে বেআইনিভাবে রাষ্ট্রপতির ছবি নামিয়ে ফেলা হয়েছিলো।
এইরকম কার্য করেছেন নোবেলজয়ী মহামান্য রাষ্ট্রপতির সঙ্গে।
তিনি সাক্ষাৎকারে দৃঢ়চিত্তে বলেছেন, “আমার রক্ত ঝরে যাবে বঙ্গভবনে। রক্ত ঝরে ঝরুক। কিন্তু আমি সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষা করব।”
