ঢাকা: ইউনূসের আমলে ধানমন্ডি ৩২ নিয়ে কথা বলা যায়নি। এক স্বৈরাচার দেশটাকে খুবলে খেয়েছে। ধানমন্ডি ৩২ এ সন্ত্রাসী, জঙ্গী হামলা চালিয়েছে।

এখন অন্তর্বর্তী সরকার নেই, তবে এখনো সমানতালে আওয়ামী লীগের নেতাদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে, এবং মুক্তিযুদ্ধের বিষয়ে কথা বলা অন্যায়!

ইউনূস চেয়ার থেকে নেমেছে, ইউনূসের পাকিস্তানি সন্তানেরা তো আছে!?

ধানমন্ডির ‘৩২’–এর পক্ষে কেউ কথা বললে আপত্তি কোথায় – প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপির স্বনির্ভরবিষয়ক সহ-সম্পাদক নিলোফার চৌধুরী মনি।

সম্প্রতি এক গণমাধ্যম আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠকে নিলোফার চৌধুরী মনি এই গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তোলেন।

নিলোফার চৌধুরী মনি বলেন, একজন সাংবাদিক বা রাজনৈতিক নেতা তার মতামত প্রকাশ করতেই পারেন। দীর্ঘ সময় অনেকে কথা বলতে পারেননি বলেই দেশে পরিবর্তন এসেছে। এখন কেউ যদি ধানমন্ডির ‘৩২’–এর পক্ষে কথা বলেন, তাতে আপত্তির কারণ কী?

তিনি বলেন, ৩২ নম্বরের বাড়ি ভাঙা হয়েছে—এ কথা বলার অধিকার সবারই আছে। এই বাড়ির পক্ষে একটা লোক থাকলে ক্ষতি কী? এর পক্ষে কথা বলতে না দেওয়ার ফলে এর উচ্চতা অনেক বেড়ে গেছে। কারও মতপ্রকাশে বাধা দিলে বিষয়টি আরও বড় আকার ধারণ করে।

ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের ঐতিহাসিক বাড়িটি শেখ মুজিবুর রহমানের বাসভবন হিসেবে পরিচিত।

সেটি ভাঙার বিষয়ে প্রশ্ন তোলেন নিলোফার মনি। তিনি বলেছেন, এটি শুধু কয়েক কোটি টাকার স্থাপনা নয়, এর মানসিক ও ঐতিহাসিক মূল্যও অনেক।

ভবনের ভেতরে থাকা বিভিন্ন স্মারকের মূল্যও কম নয়। যারা ভেঙেছে তারা কিভাবে ‘একটি ইটও রাখা হবে না’ বলে।

তিনি আরো প্রশ্ন তোলেন, বুলডোজার কোথা থেকে এলো এবং সরকারি সংশ্লিষ্টতা ছাড়া এমন কাজ কিভাবে সম্ভব হলো। একটি ভবন ভাঙতে যত গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, অস্ত্র উদ্ধারে ততটা গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে কি না—সেটিও তিনি তুলনা করে দেখেন।
জবাবদিহির আওতায় আনা উচিত।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *