ঢাকা: আগামি ১২ ফেব্রুয়ারি দেশে নির্বাচন। তবে বাইরে রাখা হয়েছে আওয়ামী লীগকে। ওরা জানে আওয়ামী লীগ থাকলে মাঠ দখলে রাখতে সক্ষম আওয়ামী লীগ। তাই নিষিদ্ধ করে ফাঁকা মাঠে গোল দিতে নেমেছে।

আওয়ামী লীগ ছাড়া এই মোট গ্রহণযোগ্য নয়, বলছে জনগণ।

“৫০% এর উপর মানুষ আওয়ামী লীগকে সমর্থন করে, সেই আওয়ামী লীগকে ব্যান করার অবৈধ ক্ষমতাধারী ইউনূসের কোন অধিকার নাই” বলেন শেখ হাসিনা।

একটি প্রহসনমূলক পাতানো নির্বাচন করছে ফ্যাসিস্ট ইউনূস, সেই নির্বাচনে অবৈধভাবে শুধু ক্ষমতারই হাতবদল হবে আর কিছু না।

বাংলাদেশের জনগণ এই পাতানো ষড়যন্ত্রকে আগে বর্জন করার ঘোষণা দিয়েছে।

এই নির্বাচন নিয়ে মন্তব্য করেছেন জি এম কাদের। কাদেরের মতে আওয়ামী লীগ ছাড়া দেশের নির্বাচনী প্রক্রিয়া কোনোভাবেই নিরপেক্ষ এবং গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। ২৫ জানুয়ারি রংপুরে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি এই মন্তব্য করেন।

জিএম কাদেরের যুক্তি সহজ ও সরল। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের সমর্থকরা দেশের ভোটারদের প্রায় ৪০-৫০ শতাংশ। এই বিশাল অংশকে ভোটের মাঠ থেকে বাদ দিয়ে নির্বাচন করলে তা একতরফা হয়ে যায়।

আগে যেমন বিএনপিকে বাদ দিয়ে নির্বাচন হয়েছে, এখনও তেমনই একটা পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। ফলে নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা অসম্ভব। তিনি অভিযোগ করেন, অন্তর্বর্তী সরকার ও তার সঙ্গে যুক্ত কিছু দল যেমন জামায়াত, এনসিপি মিলে একটা অদৃশ্য জোট গড়ে তুলেছে, যার অধীনে নির্বাচন হচ্ছে। এতে সরকার ও শাসক দলের মধ্যে পার্থক্য মুছে যাচ্ছে, নিরপেক্ষতা হারাচ্ছে।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ দল হিসেবে এখনও নিষিদ্ধ নয়, কিন্তু রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে বাধা দেওয়া হচ্ছে। তাদের সমর্থকদের ভোট দিতে চাপ দেওয়া হচ্ছে, হয়রানি করা হচ্ছে।

অথচ বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি সবাই আওয়ামী লীগের ভোট চাইছে, কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু জাতীয় পার্টি যদি চায়, তাহলে তাদের ‘দোসর’ বা ‘সহযোগী’ বলে চিহ্নিত করা হয়। এটা চরম রাজনৈতিক বৈষম্য।

এমন পরিবেশে নির্বাচনী প্রচারও কঠিন হয়ে পড়ছে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *