ঢাকা: নির্বাচনের ঠিক দুই দিন আগে গেজেট: একেবারে স্বঘোষিত ভিআইপি ইউনূস! এটাও শয়তানের শেষ শয়তানি- ছিল ম্যাটিকুলাস ডিজাইন।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দীর্ঘ ১৮ মাস রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় ছিলেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

এই ১৮ মাসে দেশটাকে ছিবড়ে খেয়েছেন। এই বয়সে এসেও মানুষ এত স্বার্থ কীভাবে বোঝে? পৃথিবীতে আছেন কতদিন আর? তারপরেও যতখানি জ্বালিয়ে যাওয়া যায়!

ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় নিজের জন্য ব্যাপক সুযোগ-সুবিধা নিয়েছেন তিনি। নিজের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা প্রত্যাহার করিয়েছেন ক্ষমতার অপব্যবহার করে। সুদ মওকুফ করেছেন নিজের সব প্রতিষ্ঠানের। কী না করেছেন?

শেষ অবধি বিদায়ের আগে নিজের জন্য রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা নিতে ভোলেননি ইউনূস।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দুইদিন আগে তথা ১০ ফেব্রুয়ারি মুহাম্মদ ইউনূস নিজেকে এক বছরের জন্য ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ বা ‘ভিভিআইপি’ ঘোষণা করেছেন।

এর ফলে পরবর্তী এক বছর তিনি বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনীর (এসএসএফ) নিরাপত্তা-সুবিধা পাবেন।

তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সচিব (বর্তমানে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত) মো. সাইফুল্লা পান্নার সই করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সরকার বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী আইনের ক্ষমতাবলে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে তাঁর দায়িত্ব হস্তান্তরের তারিখ থেকে এক বছরের জন্য ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

অসততা এই লোকটির পা থেকে মাথা পর্যন্ত। এটা করতে গিয়েও অসততার আশ্রয় নিয়েছেন। ইউনূস যে অধ‍্যাদেশটি গোপনীয়তার সাথে করেছেন, সেটি ২০০৬ সালের ২৯ অক্টোবর এস. আরও নং ২৮৫ সংশোধন করে করা।

ঐ আদেশে বলা হয়েছিল, ‘রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টাকে স্ব স্ব পদে কর্মবসানের তারিখ হইতে এবং জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতাকে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টার কার্যভার গ্রহণের তারিখ হইতে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সর্বোচ্চ তিন মাস অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে ঘোষণা করিল।’

ড. ইউনূস এই আদেশের আলোকে শুধু নিজেকে এক বছরের জন্য অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে ঘোষণা করেছেন। বাকিদের ক্ষেত্রে এই সময়সীমা বৃদ্ধি করেননি।

বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, কোন ব্যক্তির জন্য আইন পরিবর্তন বা প্রণয়ন করা যায় না। কিন্তু তিনি তাও করেছেন।

আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অধ্যাদেশটির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আদালতে রিট হলে এটি বিচারিক পর্যালোচনার মুখে পড়তে পারে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *