ঢাকা: বাংলাদেশের নাগরিকরা অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করছে। এবং বিভিন্ন জঙ্গী সংগঠনের সাথে যুক্ত হয়ে ভারতবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত হচ্ছে।
ভারতে এই অনুপ্রবেশকারীরা দেশের জন্য নিরাপত্তা হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সম্প্রতি আইএসআই ও বাংলাদেশে জঙ্গি গোষ্ঠীর আটজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ধৃতদের দু’জন পশ্চিমবঙ্গে লুকিয়েছিল।
রাজধানী দিল্লিতে বড়সড় জঙ্গি হামলার ছক ভেস্তে দিয়েছে দিল্লি পুলিশ-এর স্পেশাল সেল।
কুখ্যাত জঙ্গি সংগঠন ‘লস্কর-ই-তৈবা’র অপারেটিভ শাব্বির আহমেদ লোনে ওরফে রাজা নামের কাশ্মীরি জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
ভারতে বড়সড় নাশকতার ছক কষছিল এই মডিউল । এই রাজা ছিলো মূল। তদন্তকারীদের দাবি, ধৃত ব্যক্তি রাজধানীর একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় স্থানে, বিশেষ করে বড় বড় মন্দিরে গোপনে রেকি চালিয়েছিল। তালিকায় কলকাতাও ছিল বলে দাবি।
ভারতে যে বাংলাদেশের নাগরিকেরা বেআইনি ভাবে বসবাস তাদেরও সন্ত্রাসের কাজে লাগাতো সে। সবমিলিয়ে নির্বাচনের আগে ভারতের নিরাপত্তা বেষ্টনী আরো বাড়াতে হবে। নয়তো জাতীয় স্বার্থে আঘাত হানতে পারে জঙ্গী গোষ্ঠী।
এবার নির্বাচনের মুখে কড়া নিরাপত্তার মধ্যেই জলপাইগুড়ি রোড স্টেশনে ধরা পড়ল ১৪ জন বাংলাদেশি নাগরিক।
উত্তর-পূর্ব ভারত থেকে দিল্লিগামী নর্থ ইস্ট এক্সপ্রেস থেকে বুধবার তাঁদের গ্রেপ্তার করে রেল সুরক্ষা বাহিনী।
এই বাংলাদেশিদের কাছে থেকে উদ্ধার হয়েছে জাল ভারতীয় আধার কার্ড, প্যান কার্ড, বাংলাদেশি মুদ্রা এবং একাধিক মোবাইল ফোন।
জানা গিয়েছে, ওই ট্রেনে অবৈধ বাংলাদেশি নাগরিক সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে ঢুকে সফর করছেন, খবর ছিল আধিকারিকদের কাছে।
খবর অনুযায়ী, আরপিএফ-এর একটি বিশেষ দল তল্লাশি চালিয়ে ১৪ জনকে নামিয়ে আনে।
এদের মধ্যে চারজন শিশু রয়েছে। চলতি মাসেই রাজ্যে দু’দফায় ভোট। আসামেও ভোট। তার আগে কী উদ্দেশ্যে বাংলাদেশিরা ভারতে অনুপ্রবেশের ছক কষেছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
অবৈধ বাংলাদেশিরা কোনো জঙ্গী সংগঠনের সাথেও যুক্ত কিনা, এইসব বিষয়ে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।
