ঢাকা: দিল্লি না ঢাকা? ঢাকা, ঢাকা! এইতো- ঢাকা! ভারতবিরোধিতা যখন মাত্রা ছাড়িয়ে তখন বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে দীর্ঘ ৩ মাস পর ভারত থেকে ৪টি চালানে ৫১০ টন (নন বাসমতি) সিদ্ধ চাল আমদানি করা হয়েছে।
অবশ্য ভারতের বিরুদ্ধে হাজার স্লোগান উঠলেও, খেলতে না গেলেও, সেভেন সিস্টার্স আলাদা করার হুমকি দিলেও চাল খেতে অবশ্য কোনো আপত্তি নেই।
যাই হোক, ৫ আগস্টের পর পাকিস্তান হয়েছে ডানহাত বাংলাদেশের। আর এই জঙ্গী রাষ্ট্রের পাল্লায় পড়ে বাংলাদেশ এখন দেউলিয়ার পথে।
বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক (ট্র্যাফিক) মো. শামীম হোসেন জানান, আমদানিকৃত চাল প্রতিকেজি বেনাপোল বন্দর পর্যন্ত পৌঁছাতে খরচ পড়েছে ৫০ টাকা। খোলা বাজারে এ চাল কেজিতে বিক্রয় হবে ৫১ থেকে ৫৩ টাকা দরে।
আমদানি–রপ্তানির সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা জানায়, শুল্কমুক্ত কোটায় চাল আনে আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান বেনাপোলের হাজী মুসা করিম অ্যান্ড সন্স। চাল ছাড়করণের কাজ করছেন সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট মের্সাস ভূইয়া এন্টারপ্রাইজ।
গতকাল মঙ্গলবার রাতে ১৪টি ট্রাকে আমদানি করা চালের চালানগুলো বন্দরের ৩১ নম্বর ট্রান্সশিপমেন্ট ইর্য়াডে প্রবেশ করে।
উল্লেখযোগ্য যে, গত বছরের নভেম্বর মাসে এই বন্দর দিয়ে সর্বশেষ চাল আমদানি করা হয়েছিল ৬ হাজার ১২৮ টন।
এবং গত ১৮ জানুয়ারি আবার ২৩২ আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে দুই লাখ টন চাল আমদানির অনুমতি দিয়েছে সরকার। আমদানির জন্য সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে ৩ মার্চ পর্যন্ত।
