ঢাকা: ভারতে বড়সড় নাশকতার ছক আঁটছিলো জঙ্গীরা। সেই পর্দা ফাঁস করলো দিল্লি পুলিশ। এর সাথে বাংলাদেশভিত্তিক জঙ্গী সংগঠনের যোগ রয়েছে। যা নতুন করে আবার সম্পর্কের টানাপোড়েন সৃষ্টি করবে এটাই স্বাভাবিক।
সূত্র ধরে দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেলের তৎপরতায় তামিলনাড়ুর তিরুপুর থেকে ছয়জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, যাদের নাম মিজানুর রহমান, মোহাম্মদ শাবাত, উমর, মোহাম্মদ লিটন, মোহাম্মদ শাহিদ এবং মোহাম্মদ উজ্জল।ঘটনায় আরও দুজনকে পশ্চিমবঙ্গ থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
এদের সঙ্গে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই এবং বাংলাদেশভিত্তিক জঙ্গি সংগঠনের যোগসূত্র রয়েছে, দাবি পুলিশের।
জানা গিয়েছে এই ছয়জন বাংলাদেশি নাগরিক। এরা ভারতের ক্ষতি করতে চেয়েছিলো।
এই বাংলাদেশিরা জাল পরিচয়পত্র ব্যবহার করে তিরুপুরের গার্মেন্টস শিল্পে কাজ করছিলো। সব লুকিয়ে করে আসছিলো এরা।
শুধু তাই নয়, দীর্ঘদিন ধরে তারা সোশ্যাল মিডিয়ায় পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি সংগঠনগুলির পক্ষে পোস্ট, ভিডিও, ছবি শেয়ার করে আসছিলো।
সব ভারতবিরোধী কর্মকাণ্ড। মনে রাখা দরকার পুলিশ হত্যাকারী মাহদী হাসানও কিন্তু ভারতে থেকেই মোদি বিরোধী পোস্ট দিয়েছিলো।
সব মিলিয়ে ভারত সরকারের আরো সজাগ হতে হবে। সীমান্তে নিরাপত্তা, ভিসা প্রক্রিয়া যাচাই বাছাই না করে দিলে সমস্যা আরো গভীর হবে।
পুলিশের দাবি, এই প্রচারের মাধ্যমে তারা তরুণদের র্যাডিকালাইজ করার চেষ্টা করছিলেন এবং একই সঙ্গে দেশের বিভিন্ন শহরে রেকি করছিলেন।
আরেক তথ্য হলো, এদেরই কয়েকজন দিল্লিতে ‘ফ্রি কাশ্মীর’ লেখা পোস্টার লাগিয়েছিলো।
পুলিশ জানতে পারে, মডিউলটি আইএসআই-এর নির্দেশে কাজ করছিল এবং বাংলাদেশের কিছু চরমপন্থী গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত ছিল।
পুলিশ সবমিলিয়ে আটটিরও বেশি মোবাইল ফোন, ১৬টি সিম কার্ড, অন্যান্য ডিজিটাল উপকরণ বাজেয়াপ্ত করেছে।
