ঢাকা: সংকটকালে স্বস্তি দিয়ে ভারত থেকে এলো পাঁচ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল।

ভারতের আসামের নুমালিগড় রিফাইনারি কেন্দ্র থেকে পাইপলাইনে পাঁচ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল পৌঁছেছে দিনাজপুরের পাবর্তীপুরের রেলহেড ডিপোতে।

বৃহস্পতিবার তথা স্বাধীনতা দিবসের দিনেই ২৬ মার্চ রাতে পাইপলাইনে পাঁচ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল এসে পৌঁছেছে।

শেখ হাসিনা নাকি গোলামীর চুক্তি করেছেন ভারতের‌ সাথে? একটা চুক্তিও তো দেখাতে পারেনি পাকির রেখে যাওয়া সন্তানগুলো যে কোনটা গোলামী চুক্তি!

শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকতে নাকি দেশবিরোধী অসংখ্য চুক্তি করে গেছেন-এমনটাই বছরের পর বছর ধরে প্রচার করা হয়েছে।

বলা হয়েছে, এসব চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশকে নাকি ভারতের কাছে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে। আর ভারতের কথায় নাকি ওঠবস করে বাংলাদেশ!

তা কোথায় গেলো সেই রাজাকারেরা!? এখন মুখ বন্ধ। ডিজেল তো দেশের জনগণের স্বার্থেই আসলো তাই না?

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ভারতের আসামের নুমালিগড় রিফাইনারি থেকে বাংলাদেশের পার্বতীপুর পর্যন্ত যে ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইন নির্মাণ করা হয়েছিল, সেটিই বাংলাদেশের বিপদে সহায় হয়ে উঠেছে।

এই পাইপলাইনের মাধ্যমে দ্রুত গতিতে ডিজেল আমদানি করা সম্ভব, যা বর্তমানে দেশের জ্বালানি চাহিদা পূরণে বড় ভূমিকা রাখতে পারে।

দেশ বিক্রি হয়ে যাচ্ছে, দিল্লি না ঢাকা ধুয়ো তোলা জামাত শিবিরের দল বলবে না কিছু? অবশ্য ওরা বলবে, মাগনা তো আর নেই নাই! টাকা দিয়েই নিচ্ছি!

ডিপোর সহকারী ইনচার্জ মো. জীবন বলেন, ভারতের আসামের নুমালিগড় রিফাইনারি কেন্দ্র থেকে পাইপলাইনে সরাসরি দিনাজপুরের পাবর্তীপুরের রেলহেড ডিপোতে ডিজেল পৌঁছাতে সময় লেগেছে ৬০ ঘন্টা।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে পাইপলাইনে পাঁচ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল এসে পৌঁছেছে। ডিজেল পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা ডিপোতে শুক্রবার সকাল ৮টার সময় ডিপো করা হয়েছে।

চলতি বছর পর্যন্ত এক লাখ ৮০ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল আসবে পাইপলাইনের মাধ্যমে।

চুক্তি অনুসারে ২০২৬ সালে মোট এক লাখ ৮০ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল আমদানি করতে পারবে বাংলাদেশ।

সেই অনুযায়ী ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পাঁচ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল সরবরাহ পেয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন বিপিসি।

এর আগে গত ১১ মার্চ এসেছে পাঁচ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল। শুক্রবার এসেছে পাঁচ হাজার মেট্রিক টন এবং আগামী সপ্তাহে আরও পাঁচ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল পাইপলাইনে আসার কথা রয়েছে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *