ঢাকা: আইআইটি মাদ্রাজের অনুষ্ঠান থেকে যে বার্তা দিলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর তা জঙ্গীবাদের দিকে স্পষ্ট ইঙ্গিত।
এবং পাকিস্তানের দিকে ঝুঁকে বর্তমানে ইউনূস গং যে দেশে জঙ্গী আবাদ ফলাচ্ছে, তার দিকেও পরিষ্কার ইঙ্গিত করলো জয়শঙ্করের বক্তব্য।
পরিষ্কার করে বলেন ‘যারা ধারাবাহিকভাবে সন্ত্রাসবাদ চালিয়ে যাচ্ছে, তাদের রুখতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ করবে ভারত।’
প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার শেষকৃত্যে যোগ দিতে ঢাকা এসেছিলেন জয়শঙ্কর। তারপরেই তাঁর কঠোর বার্তা।
“ভারত এগোলে, প্রতিবেশীরাও এগোবে”— স্পষ্ট বার্তা দিলেন এস জয়শঙ্কর।
বার্তাটা পরিষ্কার। নয়াদিল্লি কোনো একক দল বা ব্যক্তির সঙ্গে নয়, বরং বাংলাদেশের রাষ্ট্র, জনগণ ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পর্ককে অগ্রাধিকার দেয়।
এই বার্তার অর্থ আরও পরিষ্কার— ভারতের সঙ্গে সহযোগিতা করলে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বাড়বে।
আসলে আন্তর্জাতিক রাজনীতি, কূটনীতি একটা বিশাল বিষয়।
কূটনীতিতে অনেক সময় নীরব উপস্থিতিই সবচেয়ে বড় বার্তা দেয়। ঢাকায় জয়শঙ্করের এই সফর ঠিক তেমনই এক তাৎপর্যপূর্ণ ইশারা।
এই বক্তব্যের ভেতরে লুকিয়ে আছে ভারতের বর্তমান পররাষ্ট্রনীতির মূল দর্শন।
আসলে কোনও প্রশ্রয়ে ভারত নেই। যেখানে অন্যায় সেখানেই আঙুল তোলে।
ঢাকায় এসে সরকার প্রধানের সঙ্গে দেখা না করেই নির্বিঘ্নে চলে গেলেন তিনি। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান শুধু চেয়ে চেয়ে দেখলেন।
আসলে সস্তা ভারত বিদ্বেষকে পুঁজি করে যারা রাজনীতি করতে চায় তাদের মুখোশ উন্মোচন শুধু সময়ের ব্যাপার।
