ঢাকা: ৫ আগস্টের পর থেকে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের অবনতি হয়েছে। এই অবনতির কারণ ভারত নয়, বাংলাদেশ স্বয়ং। এবং এখনো ভারত বিরোধিতার ধুয়ো তুলে যাচ্ছে অতিজ্ঞানী উপদেষ্টারা।
বাংলাদেশে পাকিস্তানপন্থীরা ভারত বিরোধিতাকে দেশপ্রেম বলে চালাচ্ছে ।
স্বাধীনতা যুদ্ধে ভারতের অবদানকে মুছে ফেলার জন্য পাকিস্তানপন্থী মৌলবাদীদের সাথে হাত মেলাচ্ছে ইউনুস সরকার।
এর মধ্যে সামরিক যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে, জানালেন উপেন্দ্র দ্বিবেদী।
মঙ্গলবার ভারতের স্থলসেনা প্রধান জেনরেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী বলেন এই কথা।
তবে ‘সেভেন সিস্টার্স’ নিয়ে ক্রমাগত জঙ্গী হুঁশিয়ারির পর কী পদক্ষেপ করবে ভারতীয় সেনা? বাংলাদেশি সেনার অবস্থানই বা কী?
দ্বিবেদী বলেন, “যদি সেখানে অন্তর্বর্তী সরকার থাকে, তারা যে পদক্ষেপ করছে তার মেয়াদ কতদিন? চার-পাঁচ বছর না কি চার পাঁচ মাস? সেটা থেকেই আমাদের বুঝতে হবে তার যে পদক্ষেপ করছে তার প্রেক্ষিতে দ্রুত প্রতিক্রিয়ার প্রয়োজন আছে, না কি নেই।’’
এর পরেই তিনি জানান যে বাংলাদেশি ফৌজের সঙ্গে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর যোগাযোগ রয়েছে। তারা ভারতবিরোধী পদক্ষেপ করছে না।
তিনি বলেন, ‘‘আমরা ওখানে প্রতিনিধিদল পাঠিয়েছিলাম। বিভিন্ন স্তরে কথা বলেছেন তাঁরা। আমার সঙ্গে ওঁদের (বাংলাদেশ) সেনাপ্রধানের যোগাযোগ রয়েছে। নৌসেনা প্রধান এবং বায়ুসেনা প্রধানেরও তাঁদের স্তরে কথা হয়েছে। যাতে কোনও স্তরেই কোনও ভুল বোঝাবুঝি না হয়।’’
আরো বলেন,‘‘আজকের দিনে ওদের তিন বাহিনী (বাংলাদেশ স্থল, নৌ এবং বায়ুসেনা) যে পদক্ষেপ করছে তা ভারত বিরোধী নয় কোনও ভাবেই।’’ দুই দেশের সেনার মধ্যে স্বাভাবিক সম্পর্ক রয়েছে।
‘‘ওদের অফিসারেরা এখানে প্রশিক্ষণের জন্য আসেন, আমাদের অফিসারেরাও যান।’’
