ঢাকা: সীমান্তে জামাতের উত্থান ভারত তথা পশ্চিমবঙ্গে সীমান্তবর্তী মানুষের জীবনযাত্রার উপর সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন গোয়েন্দারা।

জামাতকে ভালোভাবে নেয়ার কোনো অপশন নেই। জামাত জামাত-ই! এদের জগৎ ভিন্ন।

গোয়েন্দা আধিকারিকদের দাবি, ক্ষমতা দখল করতে না পারলেও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসন জয়ের নতুন নজির গড়েছে জামাত। যা ভারতের উদ্বেগের কারণ।

সাধারণ নির্বাচনে জামাত ক্ষমতায় না এলেও কট্টরপন্থী জামাতের উল্লেখযোগ্য উত্থান হয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গ সীমান্ত লাগোয়া কেন্দ্রগুলিতে বিরাট জয় পেয়েছে জামাত।

এই বিষয়গুলো খুব চিন্তার কারণ।

গোয়েন্দারা মনে করছেন, ভারতবিরোধী কার্যকলাপকে আরও সুসংহত করতে জামাত তাদের জয়ী কেন্দ্রগুলিকে কাজে লাগাতে পারে। যা আশঙ্কার।

এতদিন তথা শেখ হাসিনার সময় তেমন একটা পারেনি, কিন্তু ৫ আগস্টের পর তারা বেরিয়ে এসেছে।

কুড়িগ্রাম-২ আসনে ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টির প্রার্থী আতিকুর রহমান মুজাহিদ (আতিক মুজাহিদ) বিজয়ী হয়েছেন।

এই ফলাফল উত্তরবঙ্গের সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে মারাত্মক আশঙ্কা তৈরি করেছে।

এই লোক লালমনিরহাটে পাকিস্তান-চীন যৌথ এয়ারবেস তৈরির হুমকিও দিয়েছিলেন।

মনে আছে নিশ্চয়ই, ‘জুলাই ঐক্য’ আন্দোলনে তিনি ‘বাংলাদেশ আফগান হবে, আমরা সবাই তালিবান’ স্লোগান দিয়ে নিজেকে ‘মুজাহিদ’ বা যোদ্ধা হিসেবে ঘোষণা করেছিলেন।

তার জয়ে ভারতের উত্তরবঙ্গের কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ারসহ সীমান্ত জেলাগুলোতে আশঙ্কা বাড়ছে।

এই‌ মুহূর্তে সীমান্তে আরো নজরদারি বাড়াতে হবে।

জামাত আরো শক্ত হয়েছে এই নির্বাচনে। মাদক ও অস্ত্র চোরাচালান নিয়ন্ত্রণে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে আরও বেশি সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নিতে হবে বলে গোয়েন্দা রিপোর্টে বলা হয়েছে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *