ঢাকা: বীর চট্টলার কৃতি সন্তান, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সফল সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটনের মৃত্যুতে সহকর্মীরা গভীরভাবে শোকাহত।
তিনি অনেকদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন।অবশেষে চলেই গেলেন চিরতরে। ভারতের কলকাতার হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
সাবেক ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক রোটনের মরদেহ ভারত থেকে বাংলাদেশে হস্তান্তর করা হয়েছে। কাগজপত্রের প্রক্রিয়া গতকাল থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছিলো।
জানা গিয়েছে, ভারতের পেট্রাপোল সীমান্ত হয়ে বেনাপোল চেকপোস্টে পৌঁছেছে নিষিদ্ধ ঘোষিত বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও আওয়ামী লীগ নেতা মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটনের মরদেহ।
কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটনের লাশ ভারতের কলকাতা থেকে বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে দেশে এসে পৌঁছেছে।
দীর্ঘদিন ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে কলকাতার রুবি জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল মাত্র ৪৮ বছর।
মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটন ফুসফুসে ক্যানসার আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন থাকার পর শনিবার (১০ অক্টোবর) সকালে ভারতের কলকাতার একটি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।
তাঁর শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতার জন্য তার লাশ বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর অনুমতিপত্র ইস্যু করে কলকাতার বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন।
জানা গিয়েছে, আজ সকাল ১১ টার দিকে রোটনের মরদেহ সড়কপথে ভারতের পেট্রাপোল হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে।
এ সময় তাঁর লাশ গ্রহণ করেন তাঁর বড় ভাই নাসিমুল হায়দার চৌধুরী মিল্টন। এর আগে তাঁর ভাগ্নে সোহানুর রহমানের কাছে কলকাতা থেকে লাশ হস্তান্তর করে যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অনাপত্তিপত্র দেন বলে জানায় দূতাবাস।
মরদেহ হস্তান্তরকে কেন্দ্র করে বেনাপোল সীমান্তে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করে ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়ন। এবং পুলিশি পাহারায় মরদেহ ঢাকার উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হয়।
পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঢাকায় জানাজা শেষে চট্টগ্রামের রাউজানে গ্রামের বাড়িতে তাঁকে দাফন করা হবে।
