নেত্রকোণা: ১১ বছরের একটি কন্যা শিশু আজ পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা! যে নিজেই শিশু, সে আরেক শিশু গর্ভে নিয়ে এই ভার বয়ে বেড়াচ্ছে।
সে গর্ভবতী হয়েছে মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা আল্লাহর নেকি বান্দা নামক কুলাঙ্গার দ্বারা! দাঁড়ি টুপি পরা ঈমানদাররা দেশজুড়ে এই কুকর্ম করে বেড়াচ্ছে। আবার দেশের জনগণ টুপি ওয়ালা দেখলেই আহ্লাদে বিগলিত হয়ে পড়ে।
মেয়ে কিংবা ছেলে শিশু কেউ এদের হাত থেকে বাঁচে? সবাইকে এরা ধর্ষণ করে।
গর্ভবতী নারীদের পর্যন্ত এই দেশে ধর্ষিত হতে হয়! সামাজিক অবক্ষয়ের পরিমাণটা অভাবনীয়!
অথচ দেখবেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কোন ছবি আপলোড দিলে একটি প্রশ্ন থাকে আপনার পর্দা কোথায়? শুধুমাত্র এই ধরনের প্রশ্নের জন্যই আজ হাজারো নারী ধর্ষিত!
বস্তা দিয়ে শরীর ঢাকলেই মেয়েরা নিরাপদ না, এই বিষয়টি ছোট্ট শিশুর গর্ভবতী (ধর্ষণের মাধ্যমে)হওয়ার মাধ্যমে প্রমাণ করলো!
দাঁড়ি ,টুপি ,পাঞ্জাবি ,পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ, রোজা কিংবা হজ তাছাড়া শরীয়তের সকল কিছু পালন করেও এরা মানুষ হতে পারেননি! সুতরাং ধর্মের লেবাসের দোহাই আর চলে না ।
একটা ১১ বছরের মেয়েকে ভয় দেখিয়ে দিনের পর দিন ধর্ষণ করেছে আলেম নামের জালেম।
যেখানে গেলে শিক্ষা গ্রহণ করবে সেখানে মেয়েদের গর্ভবতী জননী করছে!
মেয়েটা কিছুই বোঝে না, শুধু বলেছে পেট ভারি লাগে, পেটের ভেতর কী যেন নড়ে! কে করেছে ? হুজুর, হুজুর!
যে মেয়েটার সাথে এই ঘটনাটি ঘটেছে তার ভবিষ্যত কি বা পেটের বাচ্চার আগামী দিনের জন্য কি রয়েছে বলতে পারবেন কেউ?
ঘটনাটি নেত্রকোণার। নেত্রকোণার মদন উপজেলায় ১১ বছরের মাদরাসা ছাত্রীকে ধর্ষণ করে গর্ভবতী করা হয়। ওই ছাত্রী সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ায় মামলা দায়ের করেছে ভুক্তভোগীর পরিবার।
অভিযুক্ত মাদরাসা শিক্ষকের নাম আমান উল্লাহ সাগর। তিনি হযরত ফাতেমা তুজ্জহুরা মহিলা কওমি মাদরাসার পরিচালক ও শিক্ষক।
জানা যায়, বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় মদন থানায় ভুক্তভোগীর মা আমান উল্লাহ সাগরকে অভিযুক্ত করে অভিযোগটি দায়ের করেন।
ধর্ষক শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগর উপজেলার কাইটাইল ইউনিয়নের পাঁচহার বড়বাড়ি গ্রামের মৃত শামসুদ্দিন মিয়ার ছেলে।
মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগর মদন উপজেলার পাঁচহার গ্রামে ২০২২ সালে হযরত ফাতেমা তুজ্জহুরা মহিলা কওমি মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করেন।
একই মাদরাসায় তার স্ত্রীও প্রধান শিক্ষিকা হিসেবে কর্মরত আছেন। ভুক্তভোগীও একই এলাকার বাসিন্দা। মেয়েটির মাকে ছেড়ে গেছে তার বাবা।
জীবিকার তাগিদে শিশুটির মা সিলেটে গৃহ পরিচারিকার কাজ করেন। ভুক্তভোগী শিশুটি তার নানির কাছে থেকে ওই মাদরাসায় লেখাপড়া করতো। এই শিশুটিকে ধ্বংস করেছে লেবাসধারী ধর্ষক।
