নোয়াখালী: নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে পরীক্ষার হলে এসএসসি পরীক্ষার্থীর মাথায় খুলে পড়লো ফ্যান। কী অদ্ভুত ঘটনা!? একের পর এক আশ্চর্য ঘটনা ঘটছে, কারো কোনো দায় নেই?
কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার কারণে একজন এসএসসি পরীক্ষার্থী যদি মারা যেত তাহলে এর দায়টা কে নিত? সোজা উত্তর কেউ নিতো না। দেশটা এমন হয়েছে, ঘরের থেকে তুমি পা বের করেছো, সুতরাং সব দায়িত্ব তোমার। বাঁচলেও তোমার, মরলেও তোমার।
অবশ্যই শুধু পরীক্ষা বলে নয়, সবসময়ের জন্য এইসব জিনিস ভালোভাবে পরীক্ষা করতে হয়, কোথাও কোনো ত্রুটি আছে কিনা! এসব কিছুই হয় না।
এই ঘটনায় ঐ শিক্ষার্থীর মাথার একপাশ কেটে যায়। পরে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাকে ফের পরীক্ষায় অংশ নেয়ার সুযোগ দেয়া হয়।
রবিবার (২৬ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার চৌমুহনী মদন মোহন উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের ১১ নম্বর কক্ষে এই ঘটনা ঘটে।
আহত শিক্ষার্থী মো. নিয়ামুল হাসান দুর্গাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। তিনি জাফরুল হুসাইনের ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, পরীক্ষা চলার সময় হঠাৎ করে কক্ষের সিলিং ফ্যান খুলে শিক্ষার্থীর মাথার ওপর পড়ে। এতে ফ্যানের পাখার আঘাতে উক্ত পরীক্ষার্থী আহত হয় এবং মাথার একপাশ কেটে যায়।
এ ঘটনায় কক্ষে থাকা অন্যান্য পরীক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। কিছু সময়ের জন্য পরীক্ষা কার্যক্রম বিঘ্ন ঘটে।
ঘটনার খবর পেয়ে বেগমগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশনায় উপজেলা হাসপাতাল থেকে একটি মেডিকেল টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহত শিক্ষার্থীকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়।
আহত হওয়া এবং চিকিৎসা নিতে সময় লাগায় তাকে অতিরিক্ত ৩০ মিনিট সময় দিয়ে পরীক্ষা নেয়া হয়।
কেন্দ্রের কক্ষগুলোতে পুরোনো ও ঝুঁকিপূর্ণ ফ্যানগুলো হারানো হয়নি কিংবা নতুন ফ্যান লাগানো হয়নি। অবহেলার ফলে এই ঘটনাটি ঘটেছে।
স্থানীয়রা দ্রুত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো ও বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম সংস্কারের দাবি জানান।
