ঢাকা: অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রী ইকরার মৃত্যুতে গোটা দেশ হতভম্ব হয়ে যায়। হঠাৎ কী এমন ঘটলো? আর আলভী তো স্ত্রীর মরা মুখটা পর্যন্ত দেখেননি!
আলভী আর তিথির সাথে প্রেমের সম্পর্ক ছিলো, এমনকি তাদের বিয়েও হয়েছে এমন খবরও পাওয়া গিয়েছে।
স্ত্রী ইকরার মৃত্যুর ঘটনায় অভিনেতা জাহের আলভী এবার কারাগারে গিয়েছেন। গত দুই বছর থেকে জাহের আলভী বিভিন্ন মেয়েদের সাথে পরকীয়ায় লিপ্ত, সেই পরকীয়ার সম্পর্ক থেকে স্ত্রী ইকরার সাথে দাম্পত্য কলহ।
জাহের আলভী স্ত্রী ইকরাকে বিভিন্নভাবে শারীরিক এবং মানসিক যন্ত্রণা দিয়েছেন। এমন খবর ইকরার বান্ধবীদের কাছ থেকেই পাওয়া গিয়েছে। ইরাকে আলভী আত্মহত্যার দিকে ঠেলে দিয়েছেন।
তবে দেশের জনগণ বলছে, শুধু জাহের আলভীই কেন একা দায় নেবেন? তিথীর ভূমিকাও খতিয়ে দেখা উচিত। পুরুষ যে নারীলোভী হতে পারে, এটা নতুন কিছু নয়; কিন্তু একজন নারী জেনেশুনে আরেকটি সংসার ভাঙার মতো পরিস্থিতির অংশ কীভাবে হতে পারে, সেই প্রশ্নটাও থেকে যায়।
বিচার হলে তা সবার জন্য সমান হওয়া উচিত, শুধু একজনের জন্য নয়। এই দাবিই উঠছে এখন।
জনপ্রিয় অভিনেতা জাহের আলভী ওরফে মো. নিয়ামত উল্লাহ ভূঁইয়াকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
আজ, বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দিনের আদালতে আত্মসমর্পণ করে আইনজীবীদের মাধ্যমে জামিন আবেদন করেন আলভী।
শুনানি শেষে আদালত দুপুর আড়াইটার দিকে আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। তথ্যটি নিশ্চিত করেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুন অর রশীদ।
এ দিন দুপুর দেড়টার দিকে আদালতে যান জাহের আলভী। পরে দুপুর ১টা ৫৬ মিনিটে শুনানি শুরু হলে কাঠগড়ায় দাঁড়ান অভিনেতা।
শুনানিতে জাহের আলভীর পক্ষে আইনজীবী ঢাকা বারের সভাপতি আনোয়ার জাহিদ ভূঁইয়াসহ অনেকেই শুনানি করেন। এবং অন্যদিকে বাদীপক্ষের আইনজীবীরা তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আবেদনের শুনানি করেন।
আলভীর জামিন আবেদনে উল্লেখ করা হয়, অভিযুক্ত আসামি এই ঘটনার সঙ্গে কোনো ভাবেই সম্পৃক্ত নয়। প্রেমের বিয়ের কারণে বাদী শুধুমাত্র ব্যক্তিগত জিদ ও প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে হয়রানিমূলকভাবে মামলাটির দায়ের করেন। মামলার এজাহারে তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ নেই।
