ঢাকা: শাড়ির মামলায় জড়িয়েছিলেন, জামিন পেয়ে গেলেন ছোটপর্দার অভিনেত্রী তানজিন তিশা।
অনলাইন ফ্যাশন পেজ থেকে শাড়ি নেওয়ার পর মূল্য পরিশোধ এবং প্রচারের প্রতিশ্রুতি রক্ষা না করার অভিযোগে করা প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের মামলায় জামিন পেলেন তানজিন তিশা।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানার আদালতে আত্মসমর্পণ করেন তিনি, এবং জামিন পান।
এদিন সকাল ১১টা ২৫ মিনিটে আদালতে উক্ত মামলার শুনানি শুরু হয়। শুনানি শেষে আদালত তিশার জামিন মঞ্জুর করে।
এর আগে গত ১২ জুলাই অভিনেত্রী তানজিন তিশার বিরুদ্ধে সমন জারি করে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন একই আদালত।
আসামি পক্ষের আইনজীবী নিহার হোসেন ফারুক জানান, ২০২৫ সালের নভেম্বরে মামলাটি করা হয়। পরে আদালতের নির্দেশে ডিবি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করে। সম্প্রতি ডিবির জমা দেওয়া এই প্রতিবেদন আদালত আমলে নিয়ে সমন জারি করে তানজিন তিশাকে আদালতে হাজির হতে নির্দেশ দেন।
গত বছরের ৫ নভেম্বর উক্ত একই আদালতে অ্যাপোনিয়ার ফ্যাশনের এক্সিকিউটিভ মো. আমিনুল ইসলাম মামলা করেন।
মামলায় অভিযোগ করা হয়, তানজিন তিশা বাংলাদেশের পরিচিত মডেল, অভিনেত্রী ও টিভি উপস্থাপিকা। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মিডিয়া ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে জড়িত।
এর সুবাদে আসামি অ্যাপোনিয়ার অনলাইন পেজে যুক্ত হয়ে বিভিন্ন প্রকার শাড়ি পর্যবেক্ষণ করে একটি শাড়ি পছন্দ করে নেন। যার বাজার মূল্য ২৮ হাজার ৮০০ টাকা।
শাড়িটি তানজিন তিশার বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়। এরপর থেকে তানজিন তিশা নানা ধরনের ভয়েস ম্যাসেজ এবং ম্যাসেজ দিয়ে শাড়িটি পরিধান করে অ্যাপোনিয়া পেজ প্রমোশনের জন্য নানাভাবে আশ্বস্ত করেন।
মামলায় আরও বলা হয়, তানজিন তিশাকে পেজ কর্তৃপক্ষ বিভিন্নভাবে শাড়িটি পরে পেজ প্রমোশনের জন্য নানা উপায়ে অনুরোধ করেন। তিনি গত ১৮ জানুয়ারি শাড়িটি গ্রহণ করেন।
কিন্তু তানজিন তিশা কোনো কথাই শোনেন না। ১০ মাস হয়ে গেলেও শাড়িটি না পরে, কোনোরকম পেজ প্রমোশন না করে পেজ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে গত ৬ মাসের বেশি সময় ধরে কোনো যোগাযোগও করেননি।
এগুলো অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। অর্থাৎ এক কথায় বাটপারি।
