চট্টগ্রাম: চট্টগ্রাম নগরের খুলশী এলাকায় হিজড়া সম্প্রদায়ের ‘গুরুমা’ হিসেবে পরিচিত মোহাম্মদ মহসীন ওরফে মৌসুমীর মৃত্যুর ঘটনায় শোকার্ত হয়ে পড়েছে মানুষ।
কারণ এই গুরুমা একজন মানবিক মানুষ ছিলেন। খোলা মনের, কারো বিপদ আপদ হলেই ঝাঁপিয়ে পড়তেন।
সেই গুরুমার রক্তাক্ত দেহ পড়ে ছিলো ঘরে। তবে এই হত্যাকাণ্ডে এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। তবে এ ঘটনায় নতুন তথ্য পাওয়ার কথা জানিয়েছে তারা।
পুলিশ তো এখন শুধু নতুন নতুন তথ্য জোগাড় করে, কিন্তু মূল কাজ থেকে অনেক দূরে থাকে।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে নগরের আমবাগান রেলওয়ে কলোনি-সংলগ্ন হিজড়া কলোনিতে নিজ বাড়ি থেকে তাঁর রক্তমাখা মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা গেছে, হিজড়া সম্প্রদায়ের ‘গুরুমা’ মৌসুমীর যেদিন মৃত্যু হয়, সেদিন রাতে তার বাসায় যায় এক অচেনা ব্যক্তি। এরপরই তার মরদেহ পাওয়া যায়। তবে ওই ব্যক্তিকে চিনতে পারেননি হিজড়া সম্প্রদায়ের কেউ।
ওই ব্যক্তিকে বাসায় ঢুকতে ও বের হতে যেতে দেখা গেছে ফুটেজটিতে। যেহেতু তাকে দরজা খুলে দিয়েছিলেন মৌসুমী নিজেই, তাই তার পরিচিত কেউ হতে পারে বলে ধারণা পুলিশের।
গুরুমার গলায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। মৃত্যুর পর তার গলায় থাকা স্বর্ণের চেইন, নগদ ৪ লাখ টাকা ও দু’টি মোবাইল ফোন পাওয়া যায়নি। একটা কিছু উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ।
খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুর রহিম সংবাদমাধ্যমকে জানান, অচেনা ওই ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত করে তাকে গ্রেপ্তার এবং টাকা ও স্বর্ণালংকার উদ্ধারের বিষয়টি সামনে রেখে তদন্ত চলছে।
