ঢাকা: কানসাস সিটিতে সুইস গেট ভাঙতে রীতিমতো বিশাল ঘাম ঝরাতে হল নীল-সাদা জার্সিধারীদের।
সমর্থকদের রক্তচাপ বাড়িয়ে লিওনেল মেসির দল সেমিফাইনালের টিকিট জোগাড় করল। শেষ চারে আর্জেন্টিনার সামনে এবার ইংল্যান্ড।
বিশ্ব ফুটবলে আর্জেন্টিনার যেরকম কোটি কোটি ফ্যান আছেন তেমনিই নীল সাদা ব্রিগেডকে পছন্দ করেন না এমন মানুষও কোটি-কোটি।
বিশেষ করে তারাই আর্জেন্টিনাকে পছন্দ করেন না যাঁরা ব্রাজিল ফ্যান কিম্বা রোনাল্ডোকে ফ্যান।
তবে পছন্দ করা না করা এরও স্বাধীনতা আছে তাদের।
সুইৎজারল্যান্ডের বিরুদ্ধে শেষবেলায় আক্রমণের ঝড় তুলে আর্জেন্তিনা ৩-১ গোলে জিতে সেমিফাইনালে চলে গেল অ্যালবি সেলেস্তেরা।
জয় পেল আর্জেন্টিনা। এদিন অনেক কাঠখড় পোড়াতে হল মেসিদের।

শুরু থেকেই আগ্রাসী মনোভাব নিয়ে শুরু করেছিল সুইজারল্যান্ড। দেড় মিনিটের মাথায় তাদের প্রথম গোলের সুযোগ এলেও তা ব্যর্থ হয়। তবে ১০ মিনিটের মাথায় প্রথম গোলের দেখা পেল মেসির দেশ।
পরপর দুটো কর্নার পেয়েছিল আর্জেন্টিনা। দ্বিতীয় কর্নারে এল গোল। লিও মেসির নেওয়া কর্নার থেকে ভেসে আসা বলে মাথা ছুইঁয়ে গোল করে যান ম্যাক অ্যালিস্টার। এটাই এই বিশ্বকাপে মেসিদের দ্রুততম গোল।
এদিকে, ৬৭ মিনিটে সমতা ফেরাল সুইজারল্যান্ড। রিকার্ডো রদ্রিগেজের সঙ্গে এক যুগলবন্দীতে গোল করে গেলেন এন্ডোয়ে।

তবে আর্জেন্টিনার দক্ষতার কাছে টিকতে পারেনি সুইজারল্যান্ড।
১১১ মিনিটের মাথায় ২-১ এগিয়ে গেল আর্জেন্টিনা। জানা কথা, তখন আর কোনও দলই ডিফেন্সের কথা মাথায় না এনে আক্রমণ করতে ছুটবে।
আর তাই হয়েছে। আক্রমণ করতে গিয়েই ডিফেন্স পুরো ফাঁকা হয়ে যাওয়ায় তৃতীয় গোল হজম করতে হল সুইজারল্যান্ডকে।
১১১ মিনিট পর্যন্ত ১-১ রেখেও ১২০ মিনিটের ম্যাচের শেষে সুইজারল্যান্ড হারল ১-৩ গোলে।
