ঢাকা: বৃষ্টি দেশের বিভিন্ন জেলার পরিস্থিতি একদম ভয়াবহ করে তুলেছে।
চট্টগ্রামের শমসের পাড়া প্লাবিত, আশ্রয়কেন্দ্রে গেছে অনেক পরিবার।
টানা কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম নগরের শমসের পাড়া এলাকা পানির নিচে তলিয়ে গেছে। জলাবদ্ধতায় সড়ক, রেলপথ, ঘরবাড়ি ও হাসপাতাল প্লাবিত হওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা, রোগী ও তাদের স্বজনরা।
বৃষ্টি ও নিম্নচাপজনিত দুর্যোগে গত চার দিনে দেশের বিভিন্ন জেলায় পাহাড়ধসে প্রায় ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।
তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম জোরদারের পাশাপাশি আশ্রয়কেন্দ্র চালু করে দুর্গত মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
আজ, বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে তিনি এই তথ্য জানান।
ত্রাণমন্ত্রী বলেন, ভারী বৃষ্টি ও এর প্রভাবে সৃষ্টি হওয়া বন্যা এবং পাহাড়ধসে চট্টগ্রামে ৫ জন, কক্সবাজারে ১৯ জন, রাঙামাটিতে ১ জন এবং বান্দরবানে ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।
তবে ধারণা করা হচ্ছে সংখ্যাটা আরো বেশি হবে।
আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে।
দুর্গত মানুষদের জন্য চট্টগ্রামে ৪১১টি, কক্সবাজারে ৬৪০টি, রাঙামাটিতে ২১টি, খাগড়াছড়িতে ১৩৫টি, বান্দরবানে ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্র চালু করা হয়েছে।
আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, গত ৭ জুলাই ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি জেলার জন্য ১০ লাখ টাকা করে নগদ অর্থ এবং ২০০ মেট্রিক টন করে চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
এছাড়াও জানানো হয়, নতুন করে চট্টগ্রামের জন্য ২৫ লাখ টাকা, কক্সবাজারের জন্য ২০ লাখ টাকা এবং রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের জন্য ১০ লাখ টাকা করে অতিরিক্ত বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
