ঢাকা: বাংলাদেশে সব সময়েই, চিরকাল হিন্দু নির্যাতন চলেছে, এখনো চলছে আর আগামীতেও চলবে।

ধীরে ধীরে বিলীন হয়ে যাবে কোটি হিন্দু।কেউ তা রোধ করতে পারবে না।কোন কিছুতেই বাংলাদেশে হিন্দু টিকবে না। পরিস্থিতি তাই বলছে।

দেশের বিভিন্ন স্থানে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর গত এক মাসে কত কত বিভৎস ঘটনা ঘটেছে, তা তুলে ধরেছে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্ট।

এসব নিপীড়নকে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর সংঘটিত সুপরিকল্পিত ও ধারাবাহিক সহিংসতা হিসেবে উল্লেখ করে আগামি ৯০ দিনের মধ্যে বিচারের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

এবং জানিয়েছে ৭ দফা দাবিও।

দাবিগুলো হলো—

গত এক মাসে ( অর্থাৎ মে-জুন ২০২৬) দেশের বিভিন্ন স্থানে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ওপর সংঘটিত হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট, ধর্ষণ, হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে আগামি ৯০ দিনের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে।

২. সিলেটে খগেন্দ্র দাস এবং শরীয়তপুরে শিক্ষক সুজিত কর্মকারকে আক্রমণকারীদের সিসিটিভি ফুটেজ দেখে চিহ্নিত করে শীঘ্রই গ্রেপ্তার করতে হবে এবং মব জাস্টিস বন্ধে কঠোর আইন পাস করতে হবে।

৩. দেশের মঠ, মন্দির ও শ্মশানের স্থায়ী নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে এবং ভাঙচুর হওয়া মন্দিরগুলো রাষ্ট্রীয় খরচে পুনর্নির্মাণ করে দিতে হবে।

৪. ঠাকুরগাঁও ও শরণখোলাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ক্ষতিগ্রস্ত, অগ্নিসংযোগের শিকার পরিবারগুলোকে দ্রুত রাষ্ট্রীয় তহবিল থেকে পর্যাপ্ত আর্থিক ক্ষতিপূরণ এবং পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে।

৫. সনাতন সম্প্রদায়সহ সব ধর্মের সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তার জন্য স্বাধীন ‘সংখ্যালঘু সুরক্ষা কমিশন’ গঠন করতে হবে।

৬. সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যারা ধর্মীয় অবমাননাকর পোস্ট দিয়ে বা গুজব ছড়িয়ে (যেমন: শ্রীরামের ছবি অবমাননা বা মিথ্যা অপবাদ) দেশে দাঙ্গা লাগানোর চেষ্টা করছে তাদের সাইবার নিরাপত্তা আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি দিতে হবে।

৭. শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ধর্মীয় কারণে শিক্ষকদের হেনস্থা বন্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিতে হবে ।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *