ঢাকা: হামে শিশুদের মৃত্যু হচ্ছে। একের পর এক মায়ের বুক খালি হচ্ছে। মায়েরা পাগলপ্রায়। ঘরে ঘরে আতঙ্ক। শিশুদের বুকের সঙ্গে মিশিয়ে রেখে মা বাঁচাতে চাইছেন হাম থেকে। কিন্তু কীভাবে?
ইউনূস জঙ্গী দেশের বারোটা বাজিয়ে রেখে গেছে। ইন্টেরিম টিকা কেনেনি। ইউনিসেফ নূরজাহানের পা ধরেছে, এটা করবেন না। সর্বনাশ হয়ে যাবে। তিনি কর্ণপাত করেননি। শুধু তাই নয়, ভিটামিন A ক্যাপসুল শিশুদের দেওয়া হয়নি।
টিকার অভাবে প্রায় চার শতাধিক শিশু মৃত্যু!! সত্যি সংখ্যাটা তো আর বলছে না সরকার।
অথচ তথাকথিত ফ্যাসিস্ট সরকার যাকে বলা হয়েছে, সেই ১৭ বছরে হামের জন্য শিশু মৃত্যুর হার ছিলো শূন্য!!
ইউনূস গং শুধু টিকার ব্যবস্থা না করায় শতশত মায়ের কোল খালি হচ্ছে, হারিয়ে যাচ্ছে পরবর্তী প্রজন্ম!
এখন কারো আসমান কাঁপে না।
হামের টিকা আছে। হামের চিকিৎসা আছে। হামে শিশু মরার কথা না। বাংলাদেশে তবু মরছে।
কারণ একটাই, যাদের দায়িত্ব ছিল টিকা নিশ্চিত করা, তারা করেনি। যাদের দায়িত্ব ছিল জবাব দেওয়া, তারা দেয়নি। আর যাদের দায়িত্ব ছিল বিচার করা, তারা রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে চুপ।
হাম ও হামের উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় (শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে শনিবার সকাল ৮টা) দেশে আরও ৯ শিশু মারা গেছে। এর মধ্যে তিন শিশুর হাম শনাক্ত হয়েছিল। হামের উপসর্গ ছিল ৬ শিশুর। এখন পর্যন্ত মোট ৩৫২টি শিশুর মৃত্যু হলো। যদিও সংখ্যাটা আরো বেশি।
এই সময়ে সারা দেশে আরও ৯৪৬ শিশুর শরীরে হামের উপসর্গ দেখা দেওয়ার তথ্য দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। আর গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৮৯ শিশুর হাম শনাক্ত হয়েছে। অর্থাৎ, গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৪৩৫ শিশু।
আজ শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
