ঢাকা: ধর্মীয় লেবাস পরে ইমামরা যা সব অপকর্ম করে বেড়াচ্ছে তা অবর্ণনীয়। শুধু বাংলাদেশে না এরা ফার্স্ট ওয়ার্ল্ড কান্ট্রিতে গিয়েও নিজের চরিত্রকে একদম অ্যাপ্লাই করে।
মাদ্রাসা, মসজিদে একের পর এক ধর্ষণ, খুন চলছেই। বাংলাদেশের মাদ্রাসা তো জঙ্গী আর বোমা, ধর্ষণের কারখানায় পরিণত হয়েছে।
এমনো মাদ্রাসা আছে যেখানে গণহারে বছরের পর বছর ছাত্রদের ধর্ষণ করা হয়েছে, একের পর এক ছাত্রীকে হত্যা করা হয়েছে, ছোট ছোট বাচ্চা মেয়েদের লম্বা সময় ধরে যৌন নির্যাতন চালানো হচ্ছে।
বাংলাদেশের আনাচে কানাচে এসব হরদম ঘটছে।
এবার যুক্তরাষ্ট্রেও একই কাণ্ড ঘটালো বাংলাদেশি ইমাম। ঐযে বলে না ঢেঁকি স্বর্গে গেলেও ধান ভানে! সেই অবস্থা হয়েছে এই লেবাসধারীদের।
যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে একটি মসজিদে দুই বালিকাকে যৌন নির্যাতনের মামলায় সেখানকার ইমাম তাজুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
নিউ ইয়র্ক সিটির জ্যামাইকায় ‘মসজিদ বিলাল’-এ গত ২১ ও ২৭ এপ্রিল দুই শিশুর ওপর নিপীড়ন চলানো হয় বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।
৬৫ বছর বয়সি বাংলাদেশি তাজুল ইসলাম পরে জামিনও পেয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে প্রথম ডিগ্রির যৌন নির্যাতনের চারটি অভিযোগ, জোরপূর্বক স্পর্শের চারটি অভিযোগ এবং শিশুর কল্যাণ বিপন্ন করার চারটি অভিযোগ আনা হয়েছে।
২১ ও ২৭ এপ্রিলের দুটি ঘটনা।
অভিযোগ অনুযায়ী, ২১ এপ্রিল বিকাল সাড়ে ৫টা থেকে ৬টার মধ্যে তাজুল মসজিদের ভেতরে ১০ বছর বয়সি এক শিশুর গোপন স্থান স্পর্শ করেন।
এরপর ২৭ এপ্রিল সন্ধ্যা ৬টার দিকে আরেক ১০ বছর বয়সি শিশুর সাথেও তিনি এই আচরণ করেন।
সেদিনই তাকে গ্রেপ্তার করে নিউ ইয়র্কের পুলিশ। এর পরদিন কুইন্স ক্রিমিনাল কোর্ট ২৫ হাজার ডলার বন্ডে জামিন পান তিনি।
আদালত তাকে ‘ভুক্তভোগী’ শিশুদের থেকে দূরে থাকার নির্দেশ দিয়েছে।
ধর্মীয় পরিচয় বা বাহ্যিক লেবাসকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে যারা এ ধরনের জঘন্য অপরাধে লিপ্ত হয়, তারা সমাজের জন্য ভয়ংকর হুমকি।
