ঢাকা: এর আগে বেড়েছে পেট্রোল, ডিজেল, অকটেনের দাম। সরকার প্রতি লিটার ডিজেলে ১৫ টাকা, অকটেনে ২০ টাকা, পেট্রোলে ১৯ টাকা এবং কেরোসিনে ১৮ টাকা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়।
নতুন দাম অনুযায়ী, প্রতি লিটার ডিজেল ১০০ টাকা থেকে বেড়ে ১১৫ টাকা, অকটেন ১২০ টাকা থেকে ১৪০ টাকা, পেট্রল ১১৬ টাকা থেকে ১৩৫ টাকা এবং কেরোসিন ১১২ টাকা থেকে ১৩০ টাকা হয়েছে।
এবার বাড়লো বাস ভাড়া। প্রতি কিলোমিটারে বাস ভাড়া বাড়ানো হলো ১১ পয়সা—আজ থেকেই নতুন এই সিদ্ধান্ত কার্যকর।
তবে জনগণের প্রশ্ন—এই অতিরিক্ত ১১ পয়সা যাত্রীরা কীভাবে পরিশোধ করবে?এই নিয়ে শুরু হতে পারে নতুন ধরনের ভোগান্তি ও তর্ক-বিতর্ক।
যাত্রী ও পরিবহন—দুই পক্ষের জন্যই এটি একটি অস্বস্তিকর পরিস্থিতি হয়ে দাঁড়াতে পারে।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহানগরে বাস ভাড়া ২ টাকা ৪২ থেকে ১১ পয়সা বাড়িয়ে করা হয়েছে ২ টাকা ৫৩ পয়সা।
আন্তঃজেলার বাসে ২ টাকা ১২ পয়সা থেকে ১১ পয়সা বাড়িয়ে করা হয়েছে ২ টাকা ২৩ পয়সা।
ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ) এলাকার ক্ষেত্রে ২ টাকা ৩২ পয়সা ভাড়া ছিল। অর্থাৎ ঢাকা ও ঢাকার আশপাশের এলাকার ভাড়া ১১ পয়সা বাড়িয়ে ২ টাকা ৪৩ পয়সা করা হয়েছে। এবং সর্বনিম্ন ভাড়া যা আগে ছিল, সেটাই আছে ১০ টাকা।
উল্লেখযোগ্য যে, আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এই সিদ্ধান্ত জানান।
সড়ক পরিবহনমন্ত্রী বলেন, ‘জনস্বার্থ বিবেচনা করে সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরে প্রতি ভাড়া কিলোমিটারে ১১ পয়সা বাড়বে।
আন্তঃজেলায় ৫২ সিটের গাড়ির ভাড়াও প্রতি কিলোমিটারে ১১ পয়সা বাড়বে। এছাড়া ডিটিসি এবং মিনিবাসের ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ১১ পয়সা বাড়িয়ে সমন্বয় করার সিদ্ধান্ত আমরা নিয়েছি।’
তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক সংকট সৃষ্টি হওয়ার পর সরকার প্রায় দেড় মাসের মতো চেষ্টা করেছে জ্বালানি তেলের দাম না বাড়াতে। পরবর্তীতে ন্যূনতম রেটে এটা বাড়ানো হয়েছে। প্রতি লিটারে ১৫ টাকার মতো। যার ফলে পরিবহন খাতে ভাড়া বাড়ানোর একটা দাবি উত্থাপিত হয়েছে। সেটা নিয়ে আমরা আলোচনা করেছি।’
‘আমরা এটাকে সমন্বয় করতে চেয়েছি মাত্র, ভাড়া বৃদ্ধি হিসেবে আমরা এটা দেখতে চাচ্ছি না। সমন্বয়ের একটা দাবিও আছে, যেহেতু জ্বালানির দাম বেড়েছে। সেটা বিবেচনায় নিয়ে তৃতীয়বার দীর্ঘ সময় বৈঠক করেছি’!
তিনি আরও বলেন, ‘কিছু যৌক্তিকতা আছে, আবার ভাড়া বাড়ানোর ক্ষেত্রে তাদের দাবিটা আমাদের কাছে মনে হয়েছে শুধুমাত্র পরিবহন মালিকের পক্ষে।’
