মানিকগঞ্জ: নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ নেতার হাত-পায়ের রগ কুপিয়ে কর্তন করা হয়েছে পৈশাচিকভাবে। এইসব ঘটনা শুনলেই গায়ে কাঁটা দিয়ে ওঠে সাধারণ মানুষের। রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস চলছে দেশে।
মানিকগঞ্জে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের জেলা কমিটির উপকর্মসংস্থান-বিষয়ক সম্পাদক বশিরকে কুপিয়ে দুই হাত ও দুই পায়ের রগ কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। রাজনৈতিক শত্রুতা!
রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাতে মানিকগঞ্জ সদর ও সিংগাইর উপজেলার সীমান্তবর্তী একটি ইটভাটার কাছে এই ঘটনা ঘটে। আহত বশির সদর উপজেলার বেতিলা-মিতরা ইউনিয়নের পালোরার চর গ্রামের মনির হোসেনের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতে ইটভাটার কাছে বশিরের ওপর এই হামলা চালানো হয়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। হামলাকারীরা কারা এবং কী কারণে তাঁর ওপর হামলা চালিয়েছে, তা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
কারা হামলা চালিয়েছে, রগ কে কাটে তা হয়তো তারেক রহমানের পুলিশ এখনো জানে না! তাই খুঁজে যাচ্ছে।
মানিকগঞ্জের জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার ফাহিম আসজাদ জানান, ঘটনাস্থল সদর থানা এলাকার শেষ সীমানা থেকে সিংগাইর থানা এলাকার প্রায় ২০০ গজের মধ্যে।
এই ঘটনায় সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বশিরের বাবা বাদী হয়ে ৪ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয় আরও ১০–১২ জনকে আসামি করে সিংগাইর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।
পুলিশ বলছে পূর্ব শত্রুতা। কিন্তু পূর্ব শত্রুতা আর রগ কাটার ইতিহাস কী এক?
