কুমিল্লা: কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগম ও কে এম ফিরোজ শাহরিয়ারের একমাত্র সন্তানের নিথর দেহ উদ্ধার হয়েছে।
গতকাল বিকাল ৩টা থেকে অপ্রতিম নিখোঁজ ছিলো। বয়স ১৩ বছর, ক্লাস সেভেনে পড়ে। হারানোর সময় পরনের এই পাঞ্জাবিটা ছিল গায়ে।
অপ্রতিম তাঁর মায়ের আইফোন নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলতে গিয়ে আর ফিরে আসেনি। সেই যাওয়াই শেষ যাওয়া।
আজ সকাল ১১টায় কুমিল্লার কোটবাড়ি এলাকার দক্ষিণ মোড়ের দক্ষিণ পাশের একটি জঙ্গল থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
খুব সম্ভবত এই ছোট মায়া মুখের ছেলেটিকে আঘাত করে মারা হয়েছে।
এই দেশে জন্ম নেয়াই আজন্ম পাপ।এরপরেও সংসদে তথাকথিত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন ৩২ দাঁত বের করে বলবেন, কই দেশে খুন, সন্ত্রাস হচ্ছে? আমি তো দেখি না!
এই দেশে ১৩ বছরের নিষ্পাপ ফুলের মতো ছেলে শিশুকে খুন করা হয়, আর মেয়ে শিশুকে করা হয় ধর্ষণ। আসলেই সোনার দেশ! লাল স্বাধীনতা উপভোগ করছে জনগণ। জুলাইয়ের ফল ভোগ করছে মানুষ।
সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বলেন, ‘দক্ষিণ মোড়ের দক্ষিণ পাশের জঙ্গল থেকে অপ্রতিমের লাশ পাওয়া গেছে। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।’
অপ্রতিম বর্ডারগার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
১৩ বছরের অপ্রতিম কার ক্ষতি করেছে? কেন ৫ই আগস্টের পর এই দেশে নিষ্পাপ শিশু অপ্রতিমেরা নিরাপদ নয়? জবাবদিহিতা কে করবে?
