পটুয়াখালী: ঘরের বাইরে বেরোলে আদৌ প্রাণটা নিয়ে ঘরে ফেরা যাবে কিনা সেটাই সবচেয়ে বড় বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে দেশে। সড়ক দুর্ঘটনা, খুন, চাঁদাবাজি, ছিনতাই কখন কিসে প্রাণ চলে যায় তার কোনো ঠিকানা নেই।
সড়ক দুর্ঘটনার হার তো বেড়েই চলেছে দিনে দিনে। সেফ ড্রাইভ, সেভ লাইফ – এগুলো আজকাল কেউ পাত্তা দেয় না। সরকারও হাত গুটিয়ে বসে আছে।
এবার পটুয়াখালীতে বাস ও অটোরিকশার সংঘর্ষের পর খাদ থেকে আরও একজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস। পুলিশের রেকার দিয়ে বাসটি উত্তোলনের পর খাদ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এ নিয়ে দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে নিহতদের পরিচয় নিশ্চিত করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
নিহতরা হলেন—গলাচিপা উপজেলার আমখোলা গ্রামের রাজ্জাক প্যাদার ছেলে কাইউম প্যাদা (৫০), একই উপজেলার চার আনি বাউরিয়া গ্রামের অনিল হাওলাদারের মেয়ে শিল্পী রানী (৪০), বদরপুর গ্রামের আব্দুস সালাম হাওলাদারের ছেলে জাহাঙ্গীর হাওলাদার (৩৫) এবং বাউফল উপজেলার বিলবিলাস গ্রামের ধীরেন মিস্ত্রীর মেয়ে তিথী (২৩)।
উল্লেখযোগ্য যে, রাত ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে পটুয়াখালী সদর উপজেলার বসাক বাজারসংলগ্ন ধলু গাজীর মোড় এলাকায় ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়কে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
জানা গেছে, বরগুনার তালতলী থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে আসা ইমরান ট্রাভেলসের একটি বাস ধলু গাজীর মোড় এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি অটোরিকশার সঙ্গে তীব্র সংঘর্ষ হয়।
এতে বাস ও অটোরিকশাটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়।
ঘটনাস্থল থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে আরও একজনের মরদেহ পাওয়া যায়।
