ফরিদপুর: ফরিদপুরে আবারো করুণ মৃত্যুর ঘটনা। খুব সামান্য বিষয় নিয়ে দেশে হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হচ্ছে। এই সরকার দেশে স্থিরতা আনতে একেবারেই অক্ষম। পুলিশ প্রশাসন কোনো কাজের নয়।
ফরিদপুরের সালথায় সামান্য ডিম খাওয়া নিয়ে বিরোধ লাগে। ছেলের সঙ্গে দুই প্রতিবেশীর মারামারি থামাতে গিয়ে মো. লুৎফার মোল্যা (৫০) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে।
স্থানীয় কয়েকজন দাবি করেছেন, মারামারি থামাতে গেলে তাঁকে প্রচণ্ড মারধর করা হয়।
এদিকে, পুলিশ বলছে, কৃষক কোনো আঘাতে নয়, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে।
পুলিশের কাছে, এই সরকারের কাছে হত্যা আত্মহত্যা হয়ে যায়, হার্ট অ্যাটাক হয়ে যায়!
বুধবার (১৪ অক্টোবর) রাতে উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের মোন্তারমোড় বাজারে এই ঘটনা ঘটে।
লুৎফার মোল্যা উপজেলার চান্দাখোলা গ্রামের মৃত পান্নু মোল্যার ছেলে।
স্থানীয় বাসিন্দা আয়নাল মোল্যা জানান, রাতে মোন্তারমোড় বাজারে ডিম খাওয়া নিয়ে লুৎফারের ছেলে মো. লিয়াকত মোল্যার সঙ্গে প্রতিবেশী আলামিন ও মো. শামের কথা-কাটাকাটি হতে থাকে এবং মারামারিও লাগে।
এই খবর পেয়ে লুৎফার ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের থামানোর চেষ্টা করেন। এ সময় তিনি অসুস্থ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন এবং ঘটনাস্থলেই মারা যান।
তবে স্থানীয় কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শীর দাবি, মারামারি থামাতে গেলে লুৎফারকে কিল-ঘুষি যেখানে সেখানে মারা হয়। এরপরেই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন।
অনেকেই অভিযোগ করছেন, পুলিশ জড়িত থাকতে পারে এই ঘটনায়। হত্যাকে হার্ট অ্যাটাক বানাচ্ছে কেন?
