সিলেট: টার্গেট কিলিং হিন্দু! একের পর এক হিন্দু হত্যা। রাষ্ট্র নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ।
নিজের বাড়িতেই নিজের নিরাপত্তা নেই। এক একটা পরিবারকে উজাড় করে ফেলা হচ্ছে ।
সিলেটে নিজ বাসা থেকে উদ্ধার হয়েছিল পদ্মজিৎ চক্রবর্তী প্রান্ত নামে এক তরুণ চিকিৎসকের মরদেহ। এর ঠিক ১১ দিন পর উদ্ধার করা হয়েছে প্রান্ত’র বাবা পূর্ণেন্দ্র চক্রবর্তীর মরদেহ।
এই ঘটনায় সিলেটজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
সিলেটে তরুণ চিকিৎসক পদ্মজিৎ চক্রবর্তী প্রান্তের মৃত্যুর ১১ দিন পর তার বাবা পূর্ণেন্দ্র চক্রবর্তীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকালে মৌলভীবাজার শহরের এম সাইফুর রহমান সড়কের একটি বাড়ি থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
শুক্রবার সকালে পরিবারের সদস্যরা পূর্ণেন্দ্র চক্রবর্তীর কোনো সাড়া না পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ গিয়ে ঘরের ভেতর থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে।
হিন্দুদের পৈশাচিকভাবে টার্গেট কিলিং চলছে দেশে, অথচ এই প্রত্যেকটা মৃত্যুকে সরকার, পুলিশ আত্মহত্যা বলছে।
মৌলভীবাজার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, কয়েক দিন আগে পূর্ণেন্দ্র চক্রবর্তীর চিকিৎসক ছেলে আত্মহত্যা করেন বলে তারা জানতে পেরেছেন। ছেলের মৃত্যুর শোক থেকে পূর্ণেন্দ্রও আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
এদের এত ধারণা কেন হয়?
এর আগে গত ৭ সেপ্টেম্বর সিলেট নগরের মির্জাজাঙ্গাল এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে পূর্ণেন্দ্র চক্রবর্তীর একমাত্র ছেলে পদ্মজিৎ চক্রবর্তী প্রান্তের (৩১) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিকেল কলেজের চিকিৎসক ছিলেন।
