খাগড়াছড়ি: খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটিতে ছাত্র জনতার সংগ্রাম পরিষদের ডাকে আধাবেলা সড়ক অবরোধ শান্তিপূর্ণভাবে পালিত হয়েছে।
রাঙামাটির সাজেকে জেএসএস সন্তু গ্রুপের সশস্ত্র সদস্যদের সরিয়ে নেওয়ার দাবিতে ডাকা শান্তিপূর্ণ সড়ক অবরোধে হামলা, লাঠিচার্জ ও ঘরবাড়ি-দোকান ভাঙচুরের প্রতিবাদে এবং সাজেকবাসীর ন্যায্য দাবির সমর্থনে ছাত্র-জনতার সংগ্রাম পরিষদের ডাকে রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলায় এই আধাবেলা সড়ক অবরোধ হয়।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কার্বারী অ্যাসোসিয়েশনের ডাকে সাজেক পর্যটন সড়কে অবরোধ চলার সময় সেনাবাহিনীর হামলা, লাঠিপেটা এবং ঘরবাড়ি ও দোকানপাট ভাঙচুরের প্রতিবাদে এবং সাজেকবাসীর ন্যায্য দাবির সমর্থনে ওই দিনই ছাত্র-জনতার সংগ্রাম পরিষদ রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলায় এই আধাবেলা সড়ক ও নৌপথ অবরোধের ডাক দেয়।
উল্লেখযোগ্য যে, শনিবার (২৪ অক্টোবর) ভোর থেকে রাঙামাটি-খাগড়াছড়ি সড়কের বিভিন্ন স্থানে আগুন জ্বালিয়ে ও গাছের গুঁড়ি ফেলে অবরোধ পালন করেন সংগঠনটির নেতাকর্মীরা। এতে সড়কটিতে যান চলাচল বন্ধ থাকে। বন্ধ থাকে সড়কের পাশের দোকানপাটও।

তবে অবরোধের প্রভাব পড়েনি রাঙামাটি শহরে। শহরে যান চলাচল স্বাভাবিক ছিলো। রাঙামাটি-চট্টগ্রাম সড়কেও যানবাহন চলাচল করছে স্বাভাবিকভাবে। নৌপথে নির্ধারিত গন্তব্যের উদ্দেশ্যে ছেড়ে গেছে সব লঞ্চ।
এদিকে, সাজেক পর্যটনকেন্দ্রে পর্যটকদের চলাচলে জেলা প্রশাসনের আরোপ করা বিধিনিষেধও বহাল রয়েছে। তবে অবরোধকে কেন্দ্র করে জেলায় এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

রাঙামাটি কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জসিম উদ্দিন বলেন, অবরোধকে কেন্দ্র করে এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। সড়কে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন রয়েছে।
