পাবনা: পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নারী শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
কেউ তাঁকে মেরেই ফেলেছে নাকি আত্মহত্যা? আর নাকি আত্মহত্যা বলে চালানোর চেষ্টা হবে আবারো?
বৃহস্পতিবার অর্থাৎ ২ জুলাই রাতে শহরের রাধানগর ডিগ্রি বটতলা এলাকার বাদশা ছাত্রীনিবাসের দ্বিতীয়তলার নিজের কক্ষ থেকেই তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সঞ্জয় কুমার সাহা।
নিহত শিক্ষার্থীর নাম রাজমনি আক্তার। বয়স মাত্র ২২! তাঁর বাড়ি ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকর উপজেলায়। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের ১৭তম ব্যাচের ছাত্রী ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সন্ধ্যায় রাজমনি তার এক বন্ধুর সঙ্গে ফোনে কথা বলেন। এসময় নাকি তাকে অস্বাভাবিক মনে হচ্ছিলো!
এই বিষয়টি ফোনের ওপাশে থাকা বন্ধুটি রাজমনির পাশের রুমের বিশ্ববিদ্যালয়ের আরেক নারী শিক্ষার্থীকে জানান। ওই শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছিলেন, এইজন্য মেস মালিককে আবার জানান তিনি।
রাজমনির রুমটি ভেতর থেকে আটকানো ছিলো। মেস মালিক শ্রমিকদের দিয়ে দরজা ভেঙে রুমে প্রবেশের চেষ্টা করেন এবং পুলিশে খবর দেন।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে।
জানা গেছে, সকালে ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে। এ বিষয়ে থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের হবে বলে জানান ওসি সঞ্জয় কুমার সাহা।
তবে ঐ শিক্ষার্থীকে কি কেউ হত্যা করেই ঝুলিয়ে রাখলো কিনা, নাকি খাবারে বিষ মিশিয়ে দিলো? এসব যদি হয়ে থাকে – তাহলে সেটা হয়তো উদ্ঘাটন হবে না। কারণ এর আগেও এমন ঘটনায় কিছুই হয়নি।
