ময়মনসিংহ: দেশের সড়কে প্রায় প্রতিদিন মৃত্যুমুখে পড়ে মানুষ। দুর্ঘটনা ঘটেই চলেছে কিন্তু কোনো সুরাহা নেই। ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেছে এবার জনগণ।
ময়মনসিংহ নগরে যাত্রীবাহী বাস ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে সাতজন মারা গেছে।
এই নিহত হওয়ার ঘটনায় মামলা হয়েছে।
এদিকে, ঘটনায় শুক্রবার (২ অক্টোবর) রাতে শহরের ফৌজদারি এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দারা রাজীব পরিবহনের প্রতীকী লাশ নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেন।
এমনকি সেখানে গায়েবানা জানাজাও অনুষ্ঠিত হয়।
প্রতীকী লাশটির গায়ে লেখা ছিল, ‘আমি রাজীব পরিবহন, আমার আত্মার মাগফিরাত কামনা করুন।’
নিহত ব্যক্তিদের পরিবারের পক্ষ থেকে করা মামলায় বাসটির অজ্ঞাতনামা চালককে আসামি করা হয়েছে। দুর্ঘটনার পর বাসের চালক এবং তার সহযোগীরা পালিয়েছে।
পুলিশ এখনো চেষ্টা চালাচ্ছে গ্রেপ্তারির।
নগরের রহমতপুর বাইপাস সড়কের দাপুনিয়া হাড়গুজির পাড় এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটেছিলো।
দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছেন, জামালপুর সদর উপজেলার দড়িহামিদপুর গ্রামের রাশিদা বেগম (৭০), তার ছেলে মোফাজ্জল হোসেন (৫০), মোফাজ্জলের মেয়ে মর্জিনা আক্তার (২৫) ও মর্জিনার ছেলে মিনান (৫)।
নিহত অপর তিনজন সদর উপজেলার বীর গোবিন্দপুর গ্রামের অটোরিকশাচালক সুজন আলী (৪৪), বাদেচান্দি গ্রামের আকরাম আলী (৫১) ও তার স্ত্রী মমতা বেগম (৩৯)।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ঢাকা-জামালপুর রুটে চলাচলকারী রাজীব পরিবহনের বাসগুলো অতিরিক্ত গতি ও বেপরোয়া চলাচলের কারণে প্রায়ই দুর্ঘটনায় জড়ায়। তাদের দাবি, এসব দুর্ঘটনার বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি দায়ীদের আইনের আওতায় এনে বিচার নিশ্চিত করতে হবে।
