নড়াইল: শিশু ধর্ষণ মহামারির আকার নিয়েছে বাংলাদেশে। ইমামরা শিশুদের যে হারে ধর্ষণ করছেন তাতে শিশুদের জীবন হুমকির মুখে পড়ে গিয়েছে।
লেখক তসলিমা নাসরিন তাঁর ফেসবুকে লিখেছেন:
‘লক্ষ লক্ষ মাদ্রাসায় লক্ষ লক্ষ শিশু শিকার হচ্ছে ধর্ষণের ।
মাদ্রাসাগুলো বন্ধ করে দেওয়া হোক। মাদ্রাসাগুলো এখন আর শিক্ষালয় নয়, মাদ্রাসাগুলো এখন ধর্ষণালয়। মাদ্রাসার বিল্ডিংগুলোয় বিজ্ঞান স্কুল চালু হোক।
মসজিদের সংখ্যা কমিয়ে ফেলা হোক। অলৌকিক অবাস্তব অপ্রমাণিত কেচ্ছা বিশ্বাস করে পাঁচ বেলা মাথা ঠোকা অর্থহীন। মসজিদগুলোও আর উপাসনালয় নয়, ধর্ষণালয়ে হয়ে উঠছে। এই যে ইমাম, সে শিশু ধর্ষণে ব্যস্ত’।
এত ধর্ষণ, শিশু নির্যাতনের পরেও কি কোনো সুব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে শিশুদের জীবন নিয়ে? নাকি সেসব বন্ধ করা হচ্ছে?
এবার নড়াইল সদরে মক্তবে পড়তে আসা শিশুদের চকলেটের প্রলোভন দেখিয়ে যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে মসজিদের দাঁড়ি টুপি ওয়ালা ইমামের বিরুদ্ধে।
মসজিদের ইমামকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৮ মে) দুপুরে ভুক্তভোগী এক শিশুর বাবার করা মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতার ইমামের নাম মো. আমিনুল ইসলাম (৫৭)। তার বাড়ি সদর উপজেলার রুখালী পূর্বপাড়া এলাকায়। তিনি উপজেলার অন্য একটি গ্রামের মসজিদে ইমামতি করতেন।
এই লেবাসধারীরা হচ্ছে দুনিয়ার শত্রু। লেবাস পরে এরা ধোঁকাবাজি করে আসছে যুগে যুগে।
মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আমিনুল ইসলাম প্রতিদিন ফজর নামাজের পর মসজিদের বারান্দায় এলাকার শিশুদের আরবি পড়াতেন।
মঙ্গলবার (৫ মে) মক্তব ছুটির পর অন্য শিশুদের বিদায় দিলেও ভুক্তভোগী ওই শিশুকে থাকতে বলেন তিনি। চকলেটের লোভ দেখিয়ে মসজিদের ভেতরে নিয়ে শিশুটিকে যৌন নিপীড়ন করেন।
নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অজয় কুমার কুন্ডু জানান, ভুক্তভোগী এক শিশুর বাবার করা মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। শনিবার (৯ মে) তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।
