ঢাকা: প্রায় প্রতিদিনই মাদ্রাসায় শিশু বলাৎকার,ধর্ষণ, খুনের ঘটনা ঘটছে। তারপরেও এই ধর্ষকদের বিরুদ্ধে কোনো উপযুক্ত ব্যবস্থা নেই। গ্রেপ্তার হয়, দুইদিন পরেই দিব্যি গায়ে হাওয়া লাগিয়ে বেড়ায়।
মাদ্রাসাগুলো এখন জঙ্গী আর ধর্ষণের কারখানা হয়েছে। অথচ অভিভাবকরা সেখানেই তাদের বাচ্চাকে পাঠান।সবসময় মুখ ফুটে ভয়ে বলতে পারেন না ঘটনার কথা। বললেই আক্রমণ হবে। জামাত তো তাদের শেল্টার দিয়ে রাখে।
শিশুগুলো যখন ইমামের ধর্ষণের শিকার হয় তখন তৌহিদি নামক জনতারা কোথায় থাকে?
এসব মাদ্রাসায় শিক্ষার নামে ছোটছোট বাচ্চাদের বিনাদোষে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। বলাৎকার ও প্রহার করা হয়।
সবচেয়ে ভয়ংকর ব্যাপার হচ্ছে এসব মাদ্রাসা গুলোই শিক্ষার আড়ালে জঙ্গী তৈরির কারখানা।
শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে শরীয়তপুরের জাজিরার জয়নগর ইউনিয়নের সরদার কান্দির বায়তুল মামুর জামে মসজিদের ইমাম ও জামিয়াতুল সুন্নাহ মহিলা মাদ্রাসার শিক্ষক আবুল বাসারকে (৬০) আটক করেছে পুলিশ।
ধর্ষণচেষ্টা আর কী? ধর্ষণই বলতে হবে।
জানা যায়, অভিযুক্ত আবুল বাসার পেশায় একজন ইমাম ও শিক্ষক। তিনি মঙ্গলবার বিকেলে তারই মাদ্রাসার ৬ বছরের এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন।
স্থানীয়রা ঘটনা জানতে পেরে তাকে অবরুদ্ধ করেন। সেখান থেকে জাজিরা থানা পুলিশ তাকে তাদের হেফাজতে নিয়ে আসে।
ভুক্তভোগীর মায়ের অভিযোগ, তার মেয়ে আবুল বাসারের কাছে মহিলা মাদ্রাসায় পড়াশোনা করেন। মেয়েকে বিকেলে তার কাছে যেতে বলেন অভিযুক্ত আবুল। পরে তিনি সেই মাদ্রাসার একটি কক্ষে ওই শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন।
এই ধর্ষক, বদমাশ আবুল জামায়াত ইসলামের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। বুঝুন?
এদিকে অভিযুক্ত আবুল বাসারের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। সেখানে তাকে বলতে শোনা যায় ‘হয়তো শয়তানের ধোঁকায় পড়ে’ আমি এটা করেছি। তাকে আরও বলতে শোনা যায় সে জামায়াত ইসলাম করেন।’
