ঢাকা: জনগণকে দেয়া হবে ই-হেলথ কার্ড।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই বিষয়ে বলেছেন, ১৮০ দিনের কর্মসূচির আওতায় জনগণকে ‘ই-হেলথ কার্ড’ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ক একটি প্রকল্প অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।
দেশে খুলনা, নোয়াখালী, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ এবং নরসিংদী জেলার জনসাধারণকে ই-হেলথ কার্ডের মাধ্যমে চিকিৎসা সেবা দেওয়ার কার্যক্রম শুরু করা হবে।
আজ, বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকালে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে ১৪তম দিনের প্রশ্নোত্তরে লিখিত জবাবে তিনি এই কথাগুলো বলেন।
সংসদে সভাপতি করছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মো. শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এই কথা জানান।
তিনি বলেছেন, সরকারের ১৮০ দিনের কর্মসূচির আওতায় খাল খনন/পুনঃখনন কর্মসূচি গত ১৬ মার্চ থেকে শুরু হয়েছে। জুন ২০২৬ পর্যন্ত পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার বিভাগ ও কৃষি মন্ত্রণালয় ১২০৪ কিলোমিটার খাল খনন/পুনঃখনন করবে।
এছাড়া দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় জুন ২০২৬ পর্যন্ত কাবিখা (কাজের বিনিময়ে খাদ্য), কাবিটা (কাজের বিনিময়ে টাকা), টিআর (টেস্ট রিলিফ) এর মাধ্যমে ১৫০০ কিমি খাল পুনঃখনন/সংস্কার করা হবে।
আমাদের পরিকল্পনা হলো আগামী ৫ বছরে সর্বমোট ২০,০০০ কিলোমিটার খাল ও নদী খনন এবং পুনঃখনন করা।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ ও সবুজ কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে বনায়ন সৃজনের জন্য এরইমধ্যে ১ কোটি ৫০ লাখ বিভিন্ন প্রজাতির চারা উৎপাদন করা হয়েছে।
উৎপাদিত চারাগুলো চলতি বছর আসন্ন বর্ষা মৌসুমে রোপণ করা হবে। বৃক্ষরোপণ সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন করার জন্য স্থানীয় সরকার এবং এনজিওদের সঙ্গে সমন্বয় করা হবে।
তিনি বলেন, এ অর্থবছরেই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২ লাখ শিশুর মধ্যে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস বিতরণের লক্ষ্যে কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
এছাড়াও বিভিন্ন স্কুলে পর্যায়ক্রমে ‘ওয়ান টিচার ওয়ান ট্যাব’ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়েছে।
কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আধুনিকায়নে আগামী ১৮০ দিনের মধ্যে দেশের ২৩৩৬টি কারিগরি ও ৮২৩২টি মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ‘ফ্রি ওয়াই ফাই’ চালু করা হবে।
