ঢাকা: আকামের ওস্তাদ! অভিযোগ চরমোনাইপন্থী বক্তার বিরুদ্ধে। মোট ৯টি বিয়ে করেছেন মিসবাহ।অথচ নেই কোনো কাবিননামা-রেজিস্ট্রেশন!
একের পর এক বিয়ে করেছেন, মানুষ যেমন গোল করে তিনি বিয়ে করেছেন। বড্ড বিয়ে পাগলা মানুষ, কাবিননামা ছাড়াই বিয়ের মাঠে নামেন!
তিনি নাকি আবার ধর্মের পথে আনেন মানুষকে।
এবার আলোচিত চরমোনাই পন্থী ইসলামি বক্তা ও ‘৩১৩ প্রোপার্টিজ’-এর চেয়ারম্যান মাওলানা হাবিবুর রহমান মিসবাহর বিরুদ্ধে যৌতুকের অভিযোগে মামলা হয়েছে। তাঁর পঞ্চম স্ত্রী মোসা. হুমায়রা জান্নাত যৌতুক নিরোধ আইন, ২০১৮-এর ৩ ধারায় এ মামলা করেন। মামলাটি আমলে নিয়ে তার বিরুদ্ধে সমন জারির আদেশ দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুরে ঢাকার চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতের ৮ নম্বর আদালতে মামলাটি করা হয়। মামলাটি মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলামের আদালতে বিচারাধীন।
বাদীপক্ষের আইনজীবী সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট ও সাবেক সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল এবিএম ইবরাহিম খলিল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার নালিশি অভিযোগে বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচয়ের সূত্র ধরে ২০২০ সালের ৪ মে শরিয়াহ অনুযায়ী হাবিবুর রহমান মিসবাহর সঙ্গে হুমায়রা জান্নাতের বিয়ে হয়।
তাদের দাম্পত্য জীবনে ২০২৫ সালের ২১ জানুয়ারি ‘আফরাদ মিসবাহ’ নামে একটি পুত্রসন্তানের জন্ম হয়।
বাদীর অভিযোগ, বিয়ের সময় মিসবাহ তার আগের চারটি বিয়ের তথ্য একেবারে গোপন রাখেন। পরের দিকে হুমায়রা জানতে পারেন, তাঁকে ছাড়াও মিসবাহ মোট ৯টি বিয়ে করেছেন।
আবার এই বিয়ের কোনোটিই কাবিননামা বা বিবাহ নিবন্ধনের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়নি। ভাবুন এদের চরিত্র। কত ধোঁকাবাজ এরা।
এই ঘটনার পর হুমায়রা জান্নাত যাত্রাবাড়ী থানায় মামলা করতে গেলে থানা কর্তৃপক্ষ তাকে আদালতে মামলা করার পরামর্শ দেয়। অবশেষে তিনি আদালতে এসে নালিশি মামলা করেন।
হাবিবুর রহমান মিসবাহ নিজেকে ইসলামি বক্তা ও ধর্মীয় জ্ঞানদাতা হিসেবে পরিচিতি দেন। বিভিন্ন ওয়াজ মাহফিল করেন। মোটা অঙ্কের টাকা কামান।
তিনি একজন নারীলোভী, বহু নারীর সঙ্গেও সম্পর্ক করেন।
বাদীর অভিযোগ, ধর্মীয় প্রচারের পরিচয়কে কাজে লাগিয়ে তিনি নারীদের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করেন।
