চট্টগ্রাম: জামাত যা করে তাই অত্যাধুনিক সুতরাং মাদকও অত্যাধুনিক।
জামাত নাকি আল্লাহর বাণী প্রচার করে? লেবাস পরিধান করে? শরিয়া আইন আনতে চায়? তা এরা আবার কী করে মাদক ব্যবসা করে? (হাহা) আর কত রঙ্গ দেখবো এই দুনিয়ায়!?
চট্টগ্রামে ক্রিস্টাল মেথ (আইস) বেচাকেনার সময় ‘জামায়াত ইসলামীর’ এক নেতাসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ।
আইস অত্যন্ত আসক্তি সৃষ্টিকারী মাদক। এর দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে হৃৎপিণ্ডের সমস্যা, স্ট্রোক, মানসিক বিকৃতি, তীব্র উদ্বেগ এবং মৃত্যুর ঝুঁকি থাকে। ব্যবহারকারীদের মানসিক বিকারগ্রস্ততা থেকে শুরু করে অতি দ্রুত মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়।
আল্লাহর বান্দারা মানুষ মারতে চায় কেন?
নগরীর ষোলশহর ফিনলে স্কয়ার নামে একটি শপিং মলে অভিযান চালিয়ে সোমবার রাতে উক্ত সজ্জনদের গ্রেপ্তারের তথ্য চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশর সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাঁরা দুইজন হলেন- ২৭ বছর বয়সী মো. সাজ্জাদুর রহমান সাকিব এবং ২৬ বছর বয়সী মো. আবু ফয়সাল।
সাকিব জামায়াত ইসলামীর ফটিকছড়ি থানার যুব ও ক্রীড়া বিভাগের অফিস সম্পাদক বলে জানা গেছে।
তবে ফটিকছড়ি থানা জামায়াতের আমির নাজিম উদ্দিনের দাবি সাকিবের সাথে দলের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
এরা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলো, সে সময় তাঁদের ধরা হয়। এবং তল্লাশি করে ১৭৫ গ্রাম ক্রিস্টাল মেথ বা আইস উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারকৃত এই মাদকদ্রব্যের আনুমানিক বাজারমূল্য সাড়ে ১৭ লক্ষ টাকা।
জিজ্ঞাসাবাদে তারা পুলিশকে বলেছেন, ফটিকছড়ির বাসিন্দা ওমান প্রবাসী এক ব্যক্তি আইসগুলো তাদের কাছে পাঠিয়েছেন।
