ঢাকা: কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে পরিচিতি পেলেও জুলাই জঙ্গী আন্দোলনে সমালোচিত কারিনা কায়সার ও তাঁর পরিবার গণভবনের মালামাল লুট করে। যে ভিডিও এখনও নেটদুনিয়ায় ঘুরে বেড়াচ্ছে।

কারিনার বাবা জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক খেলোয়াড় কায়সার হামিদ। এতবড় একজন ব্যক্তি যার ব্যক্তিত্ব আদর্শবান হওয়া উচিৎ, তিনিও গণভবনে এই লুটপাটের কাণ্ড করেছেন। তবে গণমাধ্যমে এই কথা সম্পূর্ণ অস্বীকার করেন।

কারিনা কায়সারকে বাঁচানো যায়নি। ভারতেই তাঁর মৃত্যু হয়। কারিনা কায়সারের মরদেহ রবিবার (১৭ মে) ভারত থেকে দেশে আনা হয়েছে।

লিভারসংক্রান্ত জটিলতায় কয়েক দিন ধরে সংকটাপন্ন ছিলেন কারিনা। প্রথমে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয় তাঁকে।

পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য গত সোমবার রাতে এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সে ভারতের চেন্নাই নেওয়া হয়। চিকিৎসকরা প্রথমে তার ফুসফুসের চিকিৎসা শুরু করেছিলেন। এরপর লিভার ট্রান্সপ্লান্টের প্রস্তুতিও চলছিল।

দেশের চিকিৎসায় ভুল হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন কারিনার বাবা।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রথমে জ্বরে আক্রান্ত হন কারিনা। পরে তাঁর শরীরে সংক্রমণ ধরা পড়ে। একই সঙ্গে হেপাটাইটিস ‘এ’ এবং ‘ই’-জনিত জটিলতায় তার লিভার ফেইলিউর দেখা দেয়।

শরীরের অবস্থার অবনতি হলে তাকে আইসিইউতে নেওয়া হয় এবং পরে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়।

কায়সার হামিদ তাঁর ফেসবুকে লিখেছেন, “কারিনাকে শেষ বিদায় জানাতে আজ মধ্য রাতে আসলাম তার প্রিয় জায়গা আব্দুল্লাহপুর, গজারিয়ায়। স্মৃতিচারণ করলাম স্হানীয় কয়েকজনের সাথে।। আজ ফজর বাদ কবর খোঁড়া হবে, চির নিদ্রায় শান্তিতে থাকবে এখানে।

ইতিমধ্যে তিনটি জানাজা অনুষ্ঠিত হযেছে, সকাল ৯ টায় হবে সর্বশেষ জানাজা। দোযা করবেন সবাই,, আল্লাহ যেনো তাকে বেহেশত নসিব করেন।। আমিন”।

রবিবার কারিনার মরদেহ বহনকারী ফ্লাইট ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। কায়সার হামিদ মেয়ের মরদেহ গ্রহণ করতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

বিমানবন্দর থেকে কারিনার মরদেহ নিয়ে বিকাল সাড়ে ৫টায় বনানীর বাসার উদ্দেশ্যে রওনা দেন তিনি।

সন্ধ্যা ৭টায় বনানী ডিওএইচএস জামে মসজিদে কারিনার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে রাত ৮টায় বনানী দরবার শরীফ মসজিদে এবং রাত ১০টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আরও দুই দফা জানাজা হয় কারিনার।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *