নেত্রকোণা: দেশের অলিতে গলিতে ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে ওঠা আবাসিক মাদ্রাসাগুলোতে বছরের পর বছর অহরহ ধর্ষণের ঘটনা ঘটছে।

সেগুলোই শোনা যায় যা প্রকাশ্যে আসে, কিন্তু আইসবার্গের নিচে যে আরো ভয়াবহ অবস্থা সেটা সামনে আসছে না।

ইসলামিক শিক্ষা ব্যবস্থার সাথে এটা যুক্ত, তাই কেউ প্রতিবাদ করে না। করলেই এন্টি ইসলাম, আওয়ামী লীগ ট্যাগ দিয়ে হয়তো মেরেই ফেলা হবে।

যেখানে বছরে শত শত ঘটনা ঘটেছে ধর্ষণের, শিশু ছেলেদের দেখেই এই হুজুররা নিজেদের ঠিক রাখতে পারে না। চরিত্র খুলে পড়ছে, সেখানে মেয়ে শিশু নিরাপদ কীভাবে থাকবে?

আবার অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা যায় স্বামী স্ত্রী মিলে একটা মাদ্রাসা খুলে বসেছে, নেই কোনো নিয়ম নীতি। নিজেরাই হর্তাকর্তা বিধাতা।

মাদ্রাসা শিক্ষকের দাঁড়া কোনো ধর্ষণের ঘটনা কিংবা ছোট্ট মেয়ে শিশুদের এবিউসের ঘটনার সামনে আসলেই একদল আটঘাট বেঁধে অভিযুক্তদের পক্ষে দাঁড়ায়। জামাতিরা শেল্টার দেয়। তাহলে আর এই দেশ থেকে ধর্ষণ দূর হবে কীভাবে?

নেত্রকোণার মদন উপজেলায় শিশু ধর্ষণ ও অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ঘটনায় ধর্ষক মাদ্রাসা শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগরকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।

বুধবার (৬ মে) ভোর ৪টার দিকে ময়মনসিংহের গৌরীপুর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম।

তিনি গণমাধ্যমকে বলেছেন, ভোর সোয়া ৪টার দিকে ময়মনসিংহ জেলার গৌরীপুর উপজেলা থেকে র‌্যাব-১৪ (ময়মনসিংহ) এর একটি দল তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।

দুপুরের দিকে র‌্যাবের পক্ষ থেকে আসামিকে আমাদের হাতে হস্তান্তরের কথা রয়েছে। আসামিকে আমাদের হাতে হস্তান্তরের পর যত দ্রুত সম্ভব আমরা তাকে আদালতে প্রেরণ করব।

তিনি আরও বলেন, আসামিকে হাতে পাওয়ার পর যদি সময় থাকে, আমরা আজকেই তাকে আদালতে প্রেরণ করব। অন্যথায় আগামীকালকে তাকে আদালতে প্রেরণ করতে হবে।

এই যে বাচ্চা মেয়েটাকে ধর্ষণ করে গর্ভবতী করলো, এমন কত কত শিশুর সাথে যে ঘটছে। পাঁচ মাসের গর্ভবতী এখন শিশুটি।

এই ঘটনায় জামাতিরা গুজব ছড়িয়েছে যে, অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক নাকি নির্দোষ, আসল দোষী হল মেয়েটির আপন নানা। দেখেন অবস্থা!

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *