ঢাকা: দেশে হিন্দুশূন্যকরণ কর্মসূচি চলমান রয়েছে। আরো তিনজনকে হত্যা করা হয়েছে নির্মমভাবে। হত্যা করেই সব শেষ। কয়দিন পর আর হিন্দু কোথায়, হ্যারিকেন দিয়ে খুঁজলেও পাওয়া যাবে না।
গাজীপুর জেলায়: প্রাপ্তি মল্লিক পূজা (২৪) নামে এক নারীর মৃ’তদেহ পাওয়া গেছে l
মুন্সীগঞ্জ জেলায়: সুমন দে (৪৫) নামে এক স্বর্ণালংকার ব্যবসায়ীর মৃতদেহ তাঁর নিজ দোকানের ভেতর পাওয়া গেছে
মৌলোভীবাজার জেলায়: মিরা হাজরা (৪০) নামে এক মহিলার মৃতদেহ পাওয়া গেছে।
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলায় একটি চা বাগানের ড্রেন থেকে মীরা হাজরা (৪০) নামের এক নারী চা শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
সোমবার তথা ৩১ আগস্ট রাতে ভাড়াউড়া চা বাগানের ২৯ নম্বর সেকশনের একটি গভীর ড্রেন থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত মীরা হাজরা উপজেলার কালীঘাট ইউনিয়নের অন্তর্গত ফিনলে টি কোম্পানির ভাড়াঊড়া চা-বাগানের স্থায়ী শ্রমিক ছিলেন।
তিনি একই বাগানের চা শ্রমিক দিপু হাজরার স্ত্রী। তাঁদের সংসারে একটি ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। সব শেষ।
সকালে চা পাতা তুলতে বাড়ি থেকে বের হন মীরা অন্যদিনের মতো। কাজ শেষে বিকেলে মাথায় তোলা চা-পাতার বোঝা নিয়ে ওজন দেওয়ার জন্য নির্ধারিত কেন্দ্রের দিকেও রওনা হন।
কিন্তু আর ঘরে ফেরেননি। তাঁর সন্ধান শুরু করেন মীরার পরিবার। ১১টার দিকে পরিবারের সদস্য ও সহকর্মীরা ওই সেকশনের ড্রেনের ভেতরে তাঁকে নিথর অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন।
হঠাৎ কী ঘটলো?
শ্রীমঙ্গল থানার ডিউটি অফিসার সফিকুর রহমান বলেন, চা পাতা সংগ্রহের একপর্যায়ে পার হওয়ার সময় অসাবধানতাবশত নাকি তিনি ড্রেনে পড়ে যান।
বললেই সব বিশ্বাস করতে হয় এই দেশে! বিশ্বাস না করে কী করবে এই মানুষগুলো?
২) আরেক স্বর্ণকারের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তাঁকে মেরে নগ্ন করে ফেলে রেখে যায় উগ্রবাদী গোষ্ঠী।
মুন্সিগঞ্জের টঙ্গিবাড়ী উপজেলার হাসাইল বাজারে একটি সোনার দোকান থেকে সুমন দে (৪৫) কর্মচারীর নগ্ন মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার সকালে দোকানের শাটার খুলে স্থানীয় কয়েকজন ব্যবসায়ী তাঁর মরদেহ দেখতে পান।
নিহত সুমন দে দীর্ঘদিন ধরে হাসাইল বাজারের অমিত সরকার গোবিন্দের সোনার দোকানে কর্মচারী হিসেবে কাজ করতেন। বাড়ি দূরে হওয়ায় সপ্তাহের শনিবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত তিনি দোকানেই থাকতেন।
ব্যস শেষ!
৩) গাজীপুর মহানগরের পূবাইল থানার ডেমরপাড়া এলাকায় নিজের বসতঘর থেকে প্রাপ্তি মল্লিক পূজা (২৪) নামে উত্তরা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
সোমবার তথা (৩১ আগস্ট) রাতে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে উদ্ধার করে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত প্রাপ্তি মল্লিক পূজা ডেমরপাড়া এলাকার গোপাল চন্দ্র মল্লিকের মেয়ে। তিনি উত্তরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যাশন ডিজাইনিং বিভাগের দশম সেমিস্টারের শিক্ষার্থী ছিলেন।
ঘটনাটি নিয়েও যথেষ্ট সন্দেহ কাজ করছে।
