ফরিদপুর: দিনের পর দিন অত্যাচার সহ্য করেছেন স্ত্রী। গায়ে আগুনের ছেঁকা। অবশেষে নির্যাতন আর সহ্য করতে না পেরে স্বামীর পুরুষাঙ্গই কেটে ফেললেন স্ত্রী ।

সোমবার ভোরেই ঘটে চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ফরিদপুরের হোগলাডাঙ্গী সদরদি গ্রামে। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন যুবক।

পুলিশ সূত্রে খবর, ওই যুবকের নাম হানিফ শেখ (৩০)। রবিবার রাতে তিনি তাঁর বাড়িতেই ঘুমাচ্ছিলেন। অভিযোগ, ভোরের দিকে ব্লেড দিয়ে তাঁর পুরুষাঙ্গ কেটে নেন তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী সুমাইয়া আক্তার।

সুমাইয়ার দাবি, হানিফের একাধিক বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্ক ছিল। এই নিয়ে অশান্তি করতেন ঘরে তাঁর স্বামী । প্রতিবাদ করলেই জুটত নৃশংস অত্যাচার। হানিফ তাঁর গায়ে মশার ধূপের ছেঁকা দিতেন বলে অভিযোগ।

“আমি প্রতিবাদ করলে সে আমাকে প্রায়ই মশা মারার কয়েলের আগুন দিয়ে ছেকা দিত। আমার শরীরের অনেক স্থানে সে এভাবে নির্যাতন করত। সহ্যের সীমা অতিক্রম করায় আজ ভোরে আমি তাকে ব্লেড দিয়ে পুরুষাঙ্গ কেটে দিয়েছি”!

আর সহ্য করতে না পেরে তিনি এই কাণ্ড ঘটান। রক্তাক্ত অবস্থায় হানিফকে উদ্ধার করে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে সেখান থেকে তাঁকে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

দেশে এইধরনের ঘটনা আগেও ঘটেছে। মূলত স্বামী স্ত্রীর সংসারটা পবিত্র করে রাখতে হয়। সেটা আজকালের পুরুষরাও ভুলেছে, নারীও ভুলেছে। পরকীয়া এখন সমাজে ভাইরাসের মতো ছড়াচ্ছে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *