রাজশাহী: টাকা মেরে দিয়েছে আম্মাররা! ক্ষিপ্ত ছাত্রদল।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) তহবিল থেকে ২৩ লাখ ৮৮ হাজার টাকা নিয়েছেন সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাউদ্দিন আম্মার। আর বিল-ভাউচার জমা দিয়েছেন ৫ লাখ ৪৯ হাজার টাকার।
১৮ লাখ ৩৯ হাজার টাকার কোনো বিল-ভাউচার জমা দেননি তিনি।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) মোস্তাক-আম্মারের প্যানেলের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের তহবিলের টাকা আত্মসাতের ঘটনায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে শাখা ছাত্রদল।
বৃহস্পতিবার তথা ২০ আগস্ট সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন মার্কেট থেকে মিছিলটি শুরু হয়।
পরে ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রশাসনিক ভবন-১ এর সামনে গিয়ে মিলিত হন নেতাকর্মীরা।
মিছিলে বিভিন্ন স্লোগান উঠতে থাকে।
রাকসুর নেতাদের বিরুদ্ধে ‘ক্যাম্পাসের নতুন চোর, রাকসু তুই টাকা চোর’, ‘হৈহৈ রৈরৈ, আমার টাকা গেলো কই’, ‘ভিপির বিরুদ্ধে ডাইরেক্ট অ্যাকশন’, ‘জিএসের বিরুদ্ধে ডাইরেক্ট অ্যাকশন’, ‘আম্মারের বিরুদ্ধে ডাইরেক্ট অ্যাকশন’, ‘আমার টাকা গেলো কই, রাকসু তুই জবাব দে’ এবং ‘গলি গলি মে চোর হ্যায়, রাকসু তু চোর হ্যায়’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে শোনা যায়।
সমাবেশে শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র সহসভাপতি শাকিলুর রহমান সোহাগ বলেন, ‘রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনে একসময় একজন মেয়র ছিলেন। তিনি ৪০ জন সহযোগীকে সঙ্গে নিয়ে আলিবাবার চল্লিশ চোরের মতো লুটপাট করেছিলেন। আমরা জানতে চাই, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে রাকসুর নেতাদের এক বছরের মধ্যে এত টাকা কীভাবে দেওয়া হলো?
আমরা তাকে বলতে চাই, আপনি যদি আলিবাবা হতে চান, তাহলে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের চল্লিশ চোর কোথায়? রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪০ চোর নেই, এখানে ১০ চোর রয়েছে। তাদের নেতা এই জিএস সন্ত্রাসী সালাহউদ্দীন আম্মার।’
তিনি আরও বলেন, ‘আলিবাবার চল্লিশ চোরকে সরাতে যেমন সময় লাগেনি, তেমনি এই ১০ চোরকেও সরাতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সময় লাগবে না।’
