ঢাকা: বাংলাদেশের তৌহিদি জনতার হুমকি ধামকি উপেক্ষা না করে, নিজ এলাকার বেশ কয়েকটি পূজা মণ্ডপে পূজা দেখতে বেরিয়েছেন‌ রুমিন ফারহানা। এমনকি কপালে দেবী দুর্গাপুজোর সিঁদুরের ফোঁটাও পরেন তিনি। প্রণাম করেন মা দুর্গাকে। তাঁর থেকে শিখবে বাংলাদেশ?

জাতীয় সংসদের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। এ সময় পুজো দেখতে আসা সনাতন ধর্মাবলম্বী দর্শনার্থীদের সঙ্গে কুশল বিনিময়ও করেন তিনি। সকলের সঙ্গে হাসিমুখে ছবি তোলেন।

এর আগে শারদীয় দুর্গোৎসবকে সর্বজনীন আনন্দের উৎসব হিসেবে উল্লেখ করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, গত এক মাস ধরে একটা একটা করে শাড়ি জমিয়েছি। সপ্তমী, অষ্টমী, নবমীতে এবং দশমীতে পরার জন্য। ঈদে দায়িত্ব বেশি থাকে, পূজায় ঘোরাঘুরি আর আনন্দ বেশি হয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সম্প্রতি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলায় পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে কথাগুলো বলেন তিনি।

এই কথা নিয়ে, বা রুমিনের দুর্গাপুজো দেখা নিয়ে মৌলবাদীরা তো ক্ষেপে লাল। তাতে অবশ্য কিছুই মনে করেন না তিনি।

রুমিন ফারহানা বলেন, ‘গত একমাস ধরে একটা একটা করে শাড়ি জমিয়েছি। সপ্তমী, অষ্টমী, নবমীতে এবং দশমীতে পরার জন্য। সুতরাং এই আনন্দও কিন্তু কম না। ঈদে দায়িত্ব বেশি থাকে, পূজায় ঘোরাঘুরি আর আনন্দ বেশি হয়। সুতরাং বুঝতেই পারছেন এটা আমাদের প্রাণের উৎসব।’

তিনি বলেন, ‘আমি এসেছি আপনাদের সাথে আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে। আমাদের আবহমান কালের সংস্কৃতি। আমরা ঈদের আনন্দ যেমন একসাথে উপভোগ করি, পূজার আনন্দও কিন্তু কম না।’

তিনি আরও বলেন, ‘সকলের কাছে আমার অনুরোধ থাকবে। উৎসবের রংটা যেন উজ্জ্বল থেকে উজ্জ্বল হয়। এই উৎসবের রঙের মধ্যে যেন কোনো রকম কষ্টের ছাপ না পড়ে। এটা দেখবার দায়িত্ব আমাদের সকলের।’

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *