রাঙ্গামাটি: রাঙ্গামাটির জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র সাজেক ভ্যালি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এরপরেই পর্যটকদের ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

জানা গিয়েছে, মোট ২১০০ পর্যটক ইতোমধ্যে সাজেক ছেড়ে নিরাপদে খাগড়াছড়ি শহরে পৌঁছেছেন।

পর্যটকরা মারাত্মক উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন।

সাজেক পর্যটন বন্ধ, কিন্তু এই খাতের সঙ্গে জড়িত মানুষের জীবিকা চলবে কীভাবে? বিকল্প কর্মসংস্থান ছাড়া তাঁদের আয়ের পথ বন্ধ করে দেওয়া কতটা যৌক্তিক?

গত বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি ভয়াবহ আগুনে সাজেকে রিসোর্ট, কটেজ, বসতঘর ও দোকান পুড়ে ব্যাপক ক্ষতি হয়। প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হয় এতে।

ক্ষতি কাটিয়ে এই মৌসুমে একটু স্বস্তির আশায় ছিলেন যাঁরা, পর্যটন বন্ধ থাকায় তাঁদের সংকট আরও বাড়ছে।

আর সবচেয়ে বড় কথা এই মাসগুলোই মাসগুলোই তাঁদের ব্যবসার মূল মৌসুম।

পাহাড়ি সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর বিরোধ ও নিরাপত্তা শঙ্কার জেরে রাঙামাটির সাজেক পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

পর্যটনের ভরা মৌসুমে এবং দুর্গাপূজার টানা ছুটির ঠিক মুখে প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তে চরম অনিশ্চয়তা ও ক্ষতির মুখে পড়েছেন পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী, পরিবহন শ্রমিক এবং স্থানীয় বাসিন্দারা।

রবিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাজেক পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করে রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসন।

আফসোস করছে মানুষ। শারদীয় দুর্গাপূজার ছুটিতে পর্যটকদের ঢল নামার প্রত্যাশায় সাজেকের হোটেল, কটেজ ও রিসোর্টগুলোতে আগাম বুকিং প্রায় সম্পন্ন হয়ে গিয়েছিল।

কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে বুকিং বাতিল হওয়া বা অর্থ ফেরত দেওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

সাজেক রিসোর্ট-কটেজ মালিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক রাহুল চাকমা বলেন, পূজার ছুটিকে কেন্দ্র করে ব্যবসায় ঘুরে দাঁড়ানোর বড় সুযোগ ছিল। কিন্তু সড়ক অবরোধ ও পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ থাকায় বাড়তি আয়ের প্রত্যাশার জায়গায় বিশাল ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *