হবিগঞ্জ: বিমানবন্দরে, হবিগঞ্জের জুলাই ’২৪-এর পুলিশ হত্যাকারী সমন্বয়ক মাহাদী হাসান জ্যামাইকা যাওয়ার পথে ইমিগ্রেশনে আটকা পড়েছে।

তিনি বিভিন্ন দেশে পালিয়ে যাওয়ার জন্য ছোটাছুটি শুরু করেছেন। কিন্তু যিনি পুলিশ হত্যা করেন, হত্যার কথা থানায় বসে নিজের মুখে স্বীকার করেন- তার এত ভয় কিসের?

কোথাও আবার দেখা যাচ্ছে এই জঙ্গী মাহাদী কন্ট্রাক্ট বিয়েও করে নিচ্ছেন।

চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে আর একবার ভারত হয়ে ফিনল্যান্ড যাওয়ার পথে নিজের চেয়ে ৮ বছরের বড় কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ করা স্ত্রী ও ২১ হাজার নগদ ডলারসহ ভারতীয় বিমানবন্দরে আটক হয়েছিলেন এই মেহেদী।
তার পুরো নাম আহমেদ রেজা হাসান মাহদী,
পাসপোর্ট নম্বর A08435001।

এই ছেলে স্কুলের গণ্ডি পার হওয়ার আগে ফিনল্যান্ড ও জ্যামাইকার মতো দেশে শত শত কোটি অবৈধ আয়ের টাকা পাচার করে ফেলেছে।

এর মতন চুরি, দুর্নীতি, লুটপাট, চাঁদাবাজি, মামলা বানিজ্য, দখল বানিজ্য, মব ইত্যাদি নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে, জুলাইয়ের পর মুষ্টিমেয় কিছু লোক, জুলাইয়ের উসিলায় তাদের ভাগ্য বদলে নিয়েছে।

এমনটাও শোনা যাচ্ছে, জ্যামাইকাতে তিনি ৫ লাখ ডলার ইনভেস্ট করায় সেখানকার রেসিডেন্সি পেয়েছেন। ৫ লাখ ডলার বাংলা টাকায় ৬ কোটি টাকার মতো।

এটা যদি সত্যি হয় তাহলে ভাবুন , হবিগঞ্জ জেলার একজন বৈষম্যবিরোধী নেতা ইউনূস আমলে কি পরিমাণ টাকা কামিয়েছে যে ভিনদেশে ৬ কোটি টাকা ইনভেস্ট করে সেই দেশের রেসিডেন্সি পারমিট নিয়েছে।

এর জঙ্গী বস যারা, নাহিদ, আসিফ, হাসনাত, সার্জিস, পাটোয়ারি, এরা কি পরিমাণে কামিয়েছে লুট করে!

আর বাংলাদেশ ও দেশের সাধারণ জনগণের কপালে জুটেছে খুন, মব, অভাব, ক্ষুধা, হাম।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হবিগঞ্জ জেলা শাখার সাবেক সদস্য সচিব মাহদী হাসান। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে আটক করা হয়েছে।

জ্যামাইকার উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার কথা থাকলেও দেশত্যাগের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকায় তাকে বিমানবন্দরেই আটকে রেখে পরবর্তীতে বিমানবন্দর থানায় নেওয়া হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মাহদী হাসান বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উপস্থিত হন।

নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী রাত ৯টা ৩৫ মিনিটে মাহাদীর ফ্লাইট ছাড়ার কথা ছিল। ইমিগ্রেশন ও পুলিশি পরীক্ষা-নিরীক্ষার সময় তার দেশত্যাগের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হয়। এরপর তাকে বিমানবন্দর থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলবে এবং বিস্তারিত পরে জানানো হবে।

উল্লেখযোগ্য যে, ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ থানায় এক তরুণকে আটকের ঘটনায় ওসির সামনে বসে বলেছিলেন, “বানিয়াচং থানা কিন্তু আমরা পুড়িয়ে দিয়েছিলাম, এসআই সন্তোষকে কিন্তু আমরা জ্বালাই দিয়েছিলাম।”

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *