ঢাকা: ১৭ ই মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন বরাবরের মতো মহাসমারোহে পালন করা এই সরকারের দায়িত্ব ছিল যা তারা বেমালুম এড়িয়ে গেছে।
অথচ সংবিধান অনুযায়ী তিনিই আমাদের জাতির পিতা।

বিএনপি এই অসাংবিধানিক কাজ কিভাবে করলো?

বিএনপি তো জামাত নয়। কিন্তু আচরণটা ঠিক তাদের মতোই। যে মুক্তিযুদ্ধকে ভাঙিয়ে নির্বাচনী ক্ষমতায় এসেছে তারা, সেই মুক্তিযুদ্ধকে ভুলেছে।

পাতানো ও ভুয়া নির্বাচনের পর অন্তত দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরে আসবে মানুষ এটাই ভেবেছিলো। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে তারেক রহমান ইউনূসের পথ অনুসরণ করছেন। আসলে ইউনূস, বিএনপি ও জামাত—সবাই মুক্তিযুদ্ধবিরোধী।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন পালন করতে গিয়ে ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের চরম লাঞ্ছনার শিকার হতে হচ্ছে। এসব ঘটনা প্রমাণ করছে বিএনপির অবস্থান।

অনেকটা নীরবেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৬তম জন্মবার্ষিকী উদ্‌যাপন করেছে ‘কার্যক্রম নিষিদ্ধ’ আওয়ামী লীগ।

গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতা হারানোর পর দলটির কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা দেয় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।

আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ধরে নিয়ে যাচ্ছে জেলে। দেখানো হচ্ছে শ্যোন এরেস্ট।

নিষিদ্ধের পর থেকে মাঝেমধ্যে ঝটিকা মিছিল ছাড়া আর কোনো কর্মসূচি পালন করতে পারেননি দলটির নেতাকর্মীরা।

বঙ্গবন্ধু’র জন্মবার্ষিকীর দিন আওয়ামী লীগের ফেসবুুক পেজে কিছু কর্মসূচির প্রচার ছাড়া আর কোনো উদ্‌যাপন দেখা যায়নি।

ক্ষমতায় থাকার সময় আওয়ামী লীগ ১৭ই মার্চকে জাতীয় শিশু দিবস হিসেবে পালন করে।

জঙ্গী ইউনুস সরকার এই দিবসসহ আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে পালন করা বেশ কয়েকটি দিবস বাতিল করেছে।

তবে বাতিল করেছিলো, সেগুলো কিন্তু ফেরায়নি বিএনপি সরকার। কিংবা জাতির পিতার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে তাদের দেখা যায়নি। ফলে এটি স্পষ্ট তারা আসলে মুক্তিযুদ্ধ, বঙ্গবন্ধুকে অস্বীকার করে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *